ক্রাইম এডিশন, অনলাইন ডেস্ক:
আজ সোমবার সন্ধ্যায় জাতীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে জামায়াতে ইসলামী-এর ঢাকা মহানগরী উত্তর ও দক্ষিণ ইউনিট যৌথভাবে এক জরুরি বৈঠকে মিলিত হয়। সভার আয়োজন হয় মহানগরী দক্ষিণের অফিসে, যেখানে আগামীকাল মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) অনুষ্ঠিতব্য সমাবেশ সফলভাবে ও শান্তিপূর্ণভাবে আয়োজন করার লক্ষ্যে বিভিন্ন বিভাগ ও থানা পর্যায়ে দায়িত্ব বিভাজন ও প্রস্তুতির দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।
সভায় সভাপতির আসনে ছিলেন মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমীর আব্দুস সবুর ফকির, যিনি কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা’র সদস্য। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য ও মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমীর ড. হেলাল উদ্দিন, মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ, মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য ড. রেজাউল করিম, মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি ও কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য মোহাম্মদ কামাল হোসেন, ড. আব্দুল মান্নান, মুহাম্মদ শামছুর রহমানসহ মহানগরীর কর্মপরিষদের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ। এছাড়া মহানগরীর সব থানা ও বিভাগীয় দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতৃবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন।
সভায় দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, সর্বস্তরে প্রস্তুতির প্রয়োজনীয়তা এবং আগামীকাল অনুষ্ঠিতব্য সমাবেশের সফল ও শান্তিপূর্ণ আয়োজন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সভায় দায়িত্বশীলদের মধ্যে দায়িত্ব বণ্টন করা হয় যাতে সমাবেশে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা না ঘটে এবং নির্ধারিত সময় ও স্থানে সবাই সুশৃঙ্খলভাবে উপস্থিত থাকতে পারে।
তাছাড়া, সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে থানাভিত্তিক ও বিভাগীয় নেতারা স্থানীয় পর্যায়ে প্রস্তুতি গ্রহণ করবেন, স্থান, পথ ও উপস্থিতির স্বার্থে সব ধরনের সুসংগঠিত কর্মসূচি নিশ্চিত করবেন। সভায় অংশগ্রহণকারীরা বলেন, জনগণের মাঝে শৃঙ্খলা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রেখে আগামীকালের সমাবেশকে সফল ও ফলপ্রসূ করতে সবাইকে সর্বোচ্চ দায়িত্বশীলতা নিয়ে কাজ করতে হবে।
এই যৌথ সভার মাধ্যমে দুই মহানগরীর নেতৃবৃন্দ একটি ঐক্যবদ্ধ প্ল্যাটফর্মে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন, যা আগামীকালের সমাবেশকে আরও সুসংগঠিত ও সমন্বিতভাবে বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখবে। অংশগ্রহণকারীরা আন্তঃমহানগরীন সমন্বয়ের মাধ্যমে সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার রূপরেখা চূড়ান্ত করেন।
সর্বশেষে সভায় সিদ্ধান্ত হয়, আগামীকাল মঙ্গলবারের সমাবেশ শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে সব স্তরের নেতাকর্মীদের নির্ধারিত দায়িত্ব অনুযায়ী উপস্থিত থেকে কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।