শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চাকরির প্রলোভনে তরুণী আটকের অভিযোগ, গ্রেপ্তার পাঁচজন চুরি হওয়া দুই গরু উদ্ধার, যুবদল কর্মী আটক গণমাধ্যম শক্তিশালী হলে গণতন্ত্র আরও টেকসই হবে: ফখরুল জনগণের দাবি বাস্তবায়নের আহ্বান, সচিবালয়ে জামায়াত আমিরের বক্তব্য ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে প্রথম শ্রেণির ভর্তিতে ফিরছে লটারি ব্যবস্থা র‌্যাবের পরিবর্তে এসআরবি আনতে প্রকাশিত হলো নতুন খসড়া আইন আদালতে অসুস্থ হয়ে প্রবীণ আইনজীবীর আকস্মিক মৃত্যু মাহবুব আলী খানের শাহাদাৎবার্ষিকীতে বিশেষ দোয়া ও কর্মসূচি রংপুরে সমাবেশে ছাত্রদল নিয়ে রায়হান সিরাজীর বিস্ফোরক বক্তব্য প্রয়োজনে মাদরাসা শিক্ষার্থীরা আবার রাজপথে নামবে বলে দাবি মামুনুল হকের

জুলাই আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলাকারী পুলিশ ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত

  • প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৫

ক্রাইম এডিশন অনলাইন:

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের পদধারী এক নেতা রাইসুল ইসলাম ৪৫তম বিসিএস পরীক্ষায় পুলিশ ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। এই সিদ্ধান্ত প্রকাশের পর শিক্ষার্থী সমাজ ও সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

রাইসুল ইসলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সূর্যসেন হল শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন। তিনি ২০১৪-১৫ সেশনের হেলথ ইকোনমিকস বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহ জেলার মেঘাহালা, ৭নং রামপুর ইউনিয়ন, তারাকান্দা।

সমালোচনার মূল কারণ হলো, ২০২৪ সালের ১৫ জুলাই সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর রাইসুল ইসলামের সরাসরি হামলার অভিযোগ রয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবি ও ভিডিও ফুটেজে তার উপস্থিতি স্পষ্টভাবে ধরা পড়েছে। এই ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ইতিমধ্যেই ১২৮ শিক্ষার্থীকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করেছিল। বহিষ্কৃতদের তালিকায় রাইসুলের নামও ছিল।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভা জুলাই আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর সহিংসতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। তবে রাইসুল ইসলামের ৪৫তম বিসিএস পুলিশ ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে। তারা দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ন্যায্য বিচার দাবি করছে।

একজন শিক্ষার্থী মন্তব্য করেছেন, “এ ধরনের ইতিহাস থাকা ব্যক্তিকে পুলিশের ক্যাডারে সুপারিশ করা হলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতার অনুভূতি জন্মায়। আমাদের মনে হচ্ছে, এটি শিক্ষার্থীদের ওপর অনাকাঙ্ক্ষিত প্রভাব ফেলতে পারে।”

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সরকারি পরীক্ষা ও ক্যাডার নির্বাচন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আর শিক্ষার্থী সমাজের ওপর সহিংস আচরণের প্রমাণ থাকা ব্যক্তির উক্ত ক্যাডারে সুপারিশ এক প্রকার বিভ্রান্তি ও বিতর্কের সৃষ্টি করে।

এই ঘটনার পর শিক্ষার্থীরা সোচ্চার হয়ে সামাজিক মাধ্যমে #StudentRights, #JusticeNow প্রভৃতি হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে দাবি জানিয়েছেন, যে কোনও প্রার্থীকে নির্বাচন বা সুপারিশের আগে তার নৈতিক ও আচরণগত ইতিহাস যাচাই করা উচিত।

তবে সরকারি পক্ষ থেকে এখনও এই বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। শিক্ষার্থী সমাজের পক্ষ থেকে আশা করা হচ্ছে, ন্যায্য তদন্তের মাধ্যমে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে যাতে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা পুনরায় না ঘটে।

শিক্ষার্থী সমাজ ও সামাজিক কর্মীদের জন্য এটি একটি সতর্কবার্তা যে, ক্ষমতার অবস্থান ও পদনির্ভর কোনো সুবিধা দিয়ে অতীতের আচরণকে উপেক্ষা করা উচিত নয়।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

শুক্র শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  

© ২০২৬ ক্রাইম এডিশন, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

Theme Customized By BreakingNews