1. info@crimeedition.com : Crime Edition : Crime Edition
  2. masud399340@gmail.com : ক্রাইম এডিশন : ক্রাইম এডিশন
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ঋণখেলাপি তকমা বহাল, চেম্বার আদালতেও ব্যর্থ মঞ্জুরুল বাঞ্ছারামপুরের ইউএনও ফেরদৌস আরার আকস্মিক মৃত্যু জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান পাচ্ছেন রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা এনসিপি ছাড়ার পেছনের কারণ প্রকাশ করলেন তাসনিম জারা রাজধানীতে গভীর রাতে নিজ বাসায় জামায়াত নেতা খুন মানহানির অভিযোগে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে রুমিন ফারহানা নির্বাচনে জয় নিশ্চিত, ফেব্রুয়ারিতে শুধু আনুষ্ঠানিক ভোট: নুর চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলায় ভারতীয় ট্রাকের ধাক্কায় পথচারীর মৃত্যু লালমনিরহাটে হাতীবান্ধায় আওয়ামী লীগ নেতার বাসায় পুলিশের উপস্থিতি নিয়ে রহস্য অবশেষে আপিলে বৈধ হলো তাসনিম জারার মনোনয়নপত্র

জামায়াতের আট দলের জোটে ৩৪৮ আসনের দাবি

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক:

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ইসলামপন্থি রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে আলোচনা এখনো চলমান রয়েছে। যদিও একক প্রার্থী দেওয়ার বিষয়ে নীতিগত ঐকমত্য তৈরি হয়েছে, তবে আসন বণ্টন নিয়ে শরিক দলগুলোর দাবিকে কেন্দ্র করে জোটের ভেতরে জটিলতা তৈরি হয়েছে বলে জানা গেছে।

বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, জামায়াতের সঙ্গে বর্তমানে সমন্বয়ে থাকা আটটি ইসলামি দল সম্মিলিতভাবে প্রায় ৩৪৮টি আসনে প্রার্থী দেওয়ার দাবি জানিয়েছে। অথচ জাতীয় সংসদের মোট আসন সংখ্যা ৩০০। ফলে দাবি ও বাস্তবতার মধ্যে বড় ধরনের ফারাক তৈরি হয়েছে, যা আলোচনাকে আরও সংবেদনশীল করে তুলেছে।

এর আগে জামায়াতের সঙ্গে থাকা সাতটি শরিক দল মাঠ জরিপের ভিত্তিতে প্রায় ২২০টি আসনের দাবি তোলে। এর মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এককভাবে দাবি করে প্রায় ১২০টি আসন। বাকি ছয়টি দল—খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলন, নেজামে ইসলাম পার্টি, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি—মিলিয়ে আরও প্রায় ১০০টি আসনের দাবি জানায়।

সম্প্রতি আরও দুই থেকে তিনটি সমমনা ইসলামি দল এই জোটে যুক্ত হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। নতুন এসব দলও নির্দিষ্ট সংখ্যক আসনে প্রার্থী দেওয়ার দাবি তুলেছে। সব মিলিয়ে আট দলের মোট দাবিকৃত আসনের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৪৮টিতে।

জামায়াতের একাধিক দায়িত্বশীল নেতা জানিয়েছেন, শরিকদের দাবিকে তারা শুনছেন, তবে সংখ্যার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পক্ষপাতী নন। তাদের মতে, আসন সমঝোতা হতে হবে বাস্তব রাজনৈতিক সম্ভাবনা, প্রার্থীর জনপ্রিয়তা ও মাঠপর্যায়ের শক্তির ওপর ভিত্তি করে। এজন্য প্রতিটি দলকে নিজ নিজ এলাকায় জরিপ চালিয়ে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছিল, যা ইতোমধ্যে পাওয়া গেছে।

আলোচনা কিছুটা বিলম্বিত হওয়ার পেছনে কয়েকটি কারণও রয়েছে। জোট সংশ্লিষ্ট একাধিক নেতার অনুপস্থিতি, গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ঘটনার প্রভাব এবং সাংগঠনিক ব্যস্ততার কারণে নির্ধারিত সময়ে বৈঠক সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। তবে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন, খুব শিগগিরই বিষয়টি চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছাবে।

শরিক দলগুলোর নেতারাও বলছেন, আসনের সংখ্যা নয়—লক্ষ্য হওয়া উচিত জোটকে বিজয়ের পথে এগিয়ে নেওয়া। তারা দাবি করেন, যেখানে যাকে প্রার্থী করলে জয়ের সম্ভাবনা বেশি, সেখানেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হবে—এ বিষয়ে সবাই নীতিগতভাবে একমত।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই জোটের আসন সমঝোতা শুধু অভ্যন্তরীণ রাজনীতির জন্য নয়, বরং সামগ্রিক নির্বাচনি সমীকরণেও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। তাই শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আলোচনা অব্যাহত থাকার সম্ভাবনাই বেশি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি সোম
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০৩১  

© ২০২৫, ক্রাইম এডিশন, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই সাইটের সমস্ত লেখা, ছবি ও কনটেন্ট কপিরাইট আইনের আওতায়। অনুমতি ছাড়া কপি, ব্যবহার বা পুনঃপ্রকাশ নিষিদ্ধ। স্বত্বাধিকার দাবি থাকলে অনুগ্রহ করে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। যথাযথ যাচাই-বাছাই ও প্রমাণ সাপেক্ষে প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কনটেন্ট অপসারণ করা হবে।

Theme Customized BY LatestNews