বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ঢাকা কলেজ উত্তপ্ত, ছাত্রদলের ভূমিকায় প্রশংসা নয়নের সারজিস আলমের মন্তব্যে ছাত্রদল নিয়ে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু এইচএসসির ব্যবহারিক পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষা বোর্ডের নতুন নির্দেশনা অভিজ্ঞতা ছাড়াই ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে আবেদন করার সুযোগ ৫ আগস্ট উপলক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জরুরি কর্মসূচি পালনের নির্দেশনা জারি সম্পত্তি দানেও আজীবন অধিকার রাখবেন বাবা-মা ভারত থেকে কাঁচা মরিচ আমদানি শুরু, বাজারদর কমার আশা গাজীপুর ভূমি অফিসে অনিয়ম অভিযোগে চার কর্মকর্তা সাময়িক বরখাস্ত ১৫ টাকার চালে ৫৫ লাখ পরিবার, ছয় মাস সুবিধা মিলবে মৃত শিক্ষকের বেতন ইস্যুতে বিস্ফোরক বক্তব্য অভিযুক্ত নেতার

প্রশিক্ষণের মাঝেই চাকরি হারালেন ছয় পুলিশ কর্মকর্তা

  • প্রকাশিত: রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৫

ডেস্ক রিপোর্ট:

রাজশাহীর সারদা পুলিশ একাডেমিতে চলমান প্রশিক্ষণের মধ্যেই ৪১তম বিসিএস (পুলিশ) ব্যাচের ছয়জন শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপারকে সরকারি চাকরি থেকে অপসারণ করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়, যা সংশ্লিষ্ট মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

রোববার (২৮ ডিসেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ শাখা থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জারি করা ওই প্রজ্ঞাপনে উপসচিব পর্যায়ের এক কর্মকর্তা স্বাক্ষর করেন। এতে বলা হয়, প্রযোজ্য বিধিমালার আওতায় সংশ্লিষ্ট ছয় কর্মকর্তাকে সরকারি চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

চাকরি থেকে অপসারিত কর্মকর্তারা হলেন—মো. দেলোয়ার হোসেন, মাহমুদুল হক, মো. ইসহাক হোসেন, মো. মশিউর সহমান, মুহাম্মদ রাকিব আনোয়ার এবং সাঈদ করিম মুগ্ধ। তারা সবাই বর্তমানে ৪১তম বিসিএস (পুলিশ) ব্যাচের সদস্য হিসেবে রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার সারদা পুলিশ একাডেমিতে এক বছর মেয়াদি মৌলিক প্রশিক্ষণে অংশ নিচ্ছিলেন।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস নিয়োগ বিধিমালা, ১৯৮১-এর নির্দিষ্ট ধারার আলোকে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে অপসারণের সুনির্দিষ্ট কারণ প্রজ্ঞাপনে বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়নি।

জানা গেছে, সারদা পুলিশ একাডেমিতে বর্তমানে ৪১তম বিসিএস (পুলিশ) ব্যাচের প্রশিক্ষণ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। আগামী মাসে তাদের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। এমন গুরুত্বপূর্ণ সময়েই ছয় কর্মকর্তার চাকরি বাতিল হওয়ায় সহপাঠী ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

পুলিশ প্রশাসনের অভ্যন্তরীণ সূত্রগুলো বলছে, প্রশিক্ষণকালীন শৃঙ্খলা, আচরণ অথবা নিয়োগসংক্রান্ত বিষয় পর্যালোচনার পর এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে থাকতে পারে। তবে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে তদন্ত বা মূল্যায়নের ফলাফলের ওপর ভিত্তি করেই এ ধরনের প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয় বলে জানা গেছে।

পুলিশ বাহিনীর মতো শৃঙ্খলাবদ্ধ একটি প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণকালীন আচরণ ও নিয়ম-কানুন মেনে চলাকে অত্যন্ত গুরুত্ব দেওয়া হয়। যে কোনো ধরনের অনিয়ম, অসদাচরণ বা বিধিমালা লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নজির রয়েছে। এই ঘটনার ক্ষেত্রেও নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই সিদ্ধান্ত এসেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এই ঘটনায় চাকরি হারানো কর্মকর্তাদের ভবিষ্যৎ করণীয় এবং আপিলের সুযোগ রয়েছে কি না, সে বিষয়েও কৌতূহল তৈরি হয়েছে। প্রশাসনিক বিধি অনুযায়ী, নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তারা পরবর্তী আইনি বা প্রশাসনিক পদক্ষেপ নিতে পারেন।

সব মিলিয়ে, প্রশিক্ষণের শেষ পর্যায়ে এসে ছয়জন শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপারের চাকরি বাতিলের ঘটনা পুলিশ প্রশাসন ও চাকরিপ্রার্থীদের মধ্যে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

শুক্র শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১

© ২০২৬ ক্রাইম এডিশন, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

Theme Customized By BreakingNews