1. info@crimeedition.com : Crime Edition : Crime Edition
  2. masud399340@gmail.com : ক্রাইম এডিশন : ক্রাইম এডিশন
মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ডঃ ইউনূসের উপদেষ্টা খলিলুর রহমানের মন্ত্রীত্ব নিয়ে নাহিদ ইসলামের কড়া প্রতিক্রিয়া গণঅধিকার পরিষদের অষ্টম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী গঙ্গাচড়ায় উদযাপন ১৮ মাস শেষে বিদায়ের ঘোষণা দিলেন প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস ২০২৬ নির্বাচন ‘ম্যানেজ ভোট’ অভিযোগ রাশেদ প্রধানের ভোলাহাটে গাছখেকদের নাম জানলেও নিরব বিএমডিএ কর্তৃপক্ষ তারেক রহমানকে ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী বললেন জামায়াত আমির লালমনিরহাট-২ আসনে ভোট পুনর্গণনার দাবিতে জামায়াত প্রার্থী ফিরোজ হায়দার লাভলু ফলাফল স্বীকৃতির পোস্ট সরালেন জামায়াতের আমির ডা শফিকুর রহমান গাজীপুর-১ আসনে জয়ী মজিবুরের কঠোর বার্তা শেষ মুহূর্তে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নিয়োগ বাতিল

ডঃ ইউনূসের উপদেষ্টা খলিলুর রহমানের মন্ত্রীত্ব নিয়ে নাহিদ ইসলামের কড়া প্রতিক্রিয়া

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

নতুন সরকারের মন্ত্রিসভায় ড. খলিলুর রহমানের অন্তর্ভুক্তিকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম দাবি করেছেন, এই নিয়োগের মধ্য দিয়ে সংবিধান সংস্কার প্রশ্নে যে ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ হয়েছে, তা এখন স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ সদস্য এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

নাহিদ ইসলামের অভিযোগ, সরকার গঠনের প্রথম দিনেই সংবিধান সংস্কার পরিষদে শপথ না নেওয়ার ঘটনায় পূর্বঘোষিত প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এটি শুধু রাজনৈতিক অঙ্গীকার ভঙ্গের বিষয় নয়; বরং এর ফলে আইনি জটিলতা ও সাংবিধানিক সংকটের সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, গণভোটে অংশগ্রহণ ও সংশ্লিষ্ট আদেশে স্বাক্ষর করার পর এখন যে ব্যাখ্যা দেওয়া হচ্ছে, তা গ্রহণযোগ্য নয় বলেই তার দলের অবস্থান।

অন্যদিকে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় নিরাপত্তা বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করা ড. খলিলুর রহমানের বর্তমান সরকারের মন্ত্রিসভায় যোগদান নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারা। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের মন্তব্য করেছেন, এমন প্রেক্ষাপটে তার মন্ত্রী হওয়া নৈতিকতার প্রশ্ন তুলতে পারে। তবে এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সংবিধান সংস্কার ইস্যুটি নির্বাচন-পরবর্তী রাজনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হয়ে উঠেছে। ফলে এই প্রশ্নে যেকোনো সিদ্ধান্ত বা নিয়োগ স্বাভাবিকভাবেই আলোচনার জন্ম দিচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ বলছেন, সংবিধান সংস্কার প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও রাজনৈতিক ঐকমত্য জরুরি; অন্যথায় তা ভবিষ্যতে বিতর্ককে আরও উসকে দিতে পারে।

এদিকে নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের অবস্থানও আলোচনায় এসেছে। কেউ কেউ অনুষ্ঠানে অংশ নিলেও, কেউ অনুপস্থিত ছিলেন বলে জানা গেছে। এসব ঘটনার মধ্য দিয়ে দেশের রাজনৈতিক পরিবেশে নতুন সমীকরণ তৈরি হচ্ছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

ড. খলিলুর রহমানের দায়িত্ব গ্রহণের পর তার অগ্রাধিকার কী হবে এবং সংবিধান সংস্কার প্রসঙ্গে সরকার কী অবস্থান নেয়, তা এখন রাজনৈতিক মহলের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে। নাহিদ ইসলামসহ সমালোচকদের বক্তব্যের প্রেক্ষিতে সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে কী ব্যাখ্যা দেয়, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

সার্বিকভাবে, নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের পরপরই সংবিধান ইস্যুতে যে বিতর্ক সামনে এসেছে, তা দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, তা নির্ভর করবে সরকার ও বিরোধী পক্ষের পরবর্তী পদক্ষেপের ওপর—এমন মন্তব্যও শোনা যাচ্ছে বিভিন্ন মহলে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি সোম
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮  

© ২০২৫-২০২৬, ক্রাইম এডিশন, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই সাইটের সমস্ত লেখা, ছবি ও কনটেন্ট কপিরাইট আইনের আওতায়। অনুমতি ছাড়া কপি, ব্যবহার বা পুনঃপ্রকাশ নিষিদ্ধ। স্বত্বাধিকার দাবি থাকলে অনুগ্রহ করে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। যথাযথ যাচাই-বাছাই ও প্রমাণ সাপেক্ষে প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কনটেন্ট অপসারণ করা হবে।

Theme Customized BY LatestNews