1. info@crimeedition.com : Crime Edition : Crime Edition
  2. masud399340@gmail.com : ক্রাইম এডিশন : ক্রাইম এডিশন
শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি-বাড়ি নেব না, প্রয়োজনে রিকশায় চড়বো—এখন প্রশ্নের মুখে জামায়াত আমির ঝিনাইদহে শিশু তাবাচ্ছুম হত্যা: প্রধান অভিযুক্ত গ্রেপ্তার গণমাধ্যমকে স্বাধীন রাখতে জবাবদিহি পরিধি নির্ধারণ হবে ধর্ষণ-হত্যাকাণ্ডে দোষীদের কঠোর শাস্তি দাবি জামায়াত আমিরের রাষ্ট্রপতি অপসারণ চেয়ে নতুন নিয়োগে আইনি নোটিশ সাবেক উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে দুদকে শতাধিক দুর্নীতির অভিযোগ হবিরবাড়ির পাইনিয়ার কারখানায় শ্রমিকদের ওভারটাইম বঞ্চনার অভিযোগ বিরোধীতে থাকায় পূর্ণ অ্যাকশন সম্ভব নয়: আমির হামজা বিএনপি ক্ষমতায় এসেই প্রশাসনে দলীয়করণের অভিযোগ মাগুরায় মুমূর্ষু শিশুকে নামিয়ে অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহারের অভিযোগ স্বাস্থ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে

ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি-বাড়ি নেব না, প্রয়োজনে রিকশায় চড়বো—এখন প্রশ্নের মুখে জামায়াত আমির

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

নির্বাচনের আগে দেওয়া বক্তব্য ঘিরে নতুন করে আলোচনায় উঠেছেন ডা. শফিকুর রহমান। বিভিন্ন জনসভায় তিনি বলেছিলেন, “আমরা সরকারি ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি এবং বাড়ি ব্যবহার করব না, প্রয়োজনে রিকশায় চড়বো।” সেই বক্তব্য এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবারও ভাইরাল হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।

সম্প্রতি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর রাজধানীর মিন্টো রোডের ২৯ নম্বর সরকারি বাসভবন তার নামে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। আর এই বরাদ্দকে কেন্দ্র করেই রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রশ্ন উঠেছে—নির্বাচনের আগে দেওয়া অঙ্গীকারের সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতির কোনো অমিল রয়েছে কি না।

সমালোচকদের অভিযোগ, যদি সরকারি ট্যাক্স ফ্রি সুবিধা ব্যবহার না করার ঘোষণা দেওয়া হয়ে থাকে, তবে এখন সরকারি বাসভবন গ্রহণের প্রক্রিয়া কেন চলছে? সামাজিক মাধ্যমে অনেকে লিখছেন, জনগণের সামনে দেওয়া প্রতিশ্রুতির বিষয়ে পরিষ্কার ব্যাখ্যা থাকা উচিত। কেউ কেউ বলছেন, এটি ছিল একটি নীতিগত অবস্থান, যা এখন বাস্তবতার সঙ্গে মিলিয়ে দেখা প্রয়োজন।

অন্যদিকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী–এর নেতারা বলছেন, বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে রাষ্ট্রীয়ভাবে নির্ধারিত কিছু প্রটোকল ও সুবিধা থাকে। একটি সূত্রের ভাষ্য, সরকারি বাসভবন বরাদ্দ দেওয়া একটি নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। তবে ওই বাসভবনে ওঠা বা না ওঠার বিষয়ে এখনো দলীয়ভাবে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানানো হয়েছে।

গৃহায়ন ও গণপূর্ত সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায়, মিন্টো রোডের ঐতিহাসিক ২৯ নম্বর বাড়িটি দীর্ঘদিন অব্যবহৃত ছিল। বর্তমানে সংস্কারকাজ চলছে এবং বসবাসের উপযোগী করতে কিছু সময় লাগবে। এটি বিরোধীদলীয় নেতার জন্য নির্ধারিত সরকারি আবাসন বলেই বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনী বক্তব্য অনেক সময় প্রতীকী বা নৈতিক বার্তা দেওয়ার উদ্দেশ্যে দেওয়া হয়। “প্রয়োজনে রিকশায় চড়বো” মন্তব্যটি ছিল সরলতা ও জনগণের কাছাকাছি থাকার অঙ্গীকার—এমনটি কেউ কেউ মনে করেন। তবে সমালোচকরা বলছেন, বক্তব্য ও বাস্তব পদক্ষেপের মধ্যে ব্যবধান দেখা দিলে জনমনে প্রশ্ন তৈরি হওয়াই স্বাভাবিক।

সব মিলিয়ে বিষয়টি এখন রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। নির্বাচনের আগে দেওয়া অঙ্গীকার এবং বর্তমান প্রশাসনিক বাস্তবতার মধ্যে পার্থক্য আছে কি না—তা নিয়ে বিতর্ক অব্যাহত রয়েছে। সংশ্লিষ্ট পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা এলে পরিস্থিতি আরও পরিষ্কার হতে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© ২০২৫-২০২৬, ক্রাইম এডিশন, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই সাইটের সমস্ত লেখা, ছবি ও কনটেন্ট কপিরাইট আইনের আওতায়। অনুমতি ছাড়া কপি, ব্যবহার বা পুনঃপ্রকাশ নিষিদ্ধ। স্বত্বাধিকার দাবি থাকলে অনুগ্রহ করে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। যথাযথ যাচাই-বাছাই ও প্রমাণ সাপেক্ষে প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কনটেন্ট অপসারণ করা হবে।

Theme Customized BY LatestNews