বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ঢাকা কলেজ উত্তপ্ত, ছাত্রদলের ভূমিকায় প্রশংসা নয়নের সারজিস আলমের মন্তব্যে ছাত্রদল নিয়ে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু এইচএসসির ব্যবহারিক পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষা বোর্ডের নতুন নির্দেশনা অভিজ্ঞতা ছাড়াই ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে আবেদন করার সুযোগ ৫ আগস্ট উপলক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জরুরি কর্মসূচি পালনের নির্দেশনা জারি সম্পত্তি দানেও আজীবন অধিকার রাখবেন বাবা-মা ভারত থেকে কাঁচা মরিচ আমদানি শুরু, বাজারদর কমার আশা গাজীপুর ভূমি অফিসে অনিয়ম অভিযোগে চার কর্মকর্তা সাময়িক বরখাস্ত ১৫ টাকার চালে ৫৫ লাখ পরিবার, ছয় মাস সুবিধা মিলবে মৃত শিক্ষকের বেতন ইস্যুতে বিস্ফোরক বক্তব্য অভিযুক্ত নেতার

খেজুর বিতরণ ইস্যুতে হাসনাতকে ঘিরে ডা. মিতুর ফেসবুক পোস্টে আলোচনা

  • প্রকাশিত: বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬

সরকারি খেজুর বিতরণকে ঘিরে একটি মন্তব্য করে আলোচনায় এসেছেন রাজনৈতিক সংগঠন এনসিপির নেত্রী ও চিকিৎসক ডা. মাহমুদা মিতু। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এনসিপির নেতা ও কুমিল্লা–৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহকে নিয়ে মন্তব্য করেন বলে জানা গেছে। তার ওই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে অনলাইন জগতে বিভিন্ন ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে।

বুধবার (১১ মার্চ) দুপুরের দিকে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি স্ট্যাটাস দেন বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সূত্রে জানা যায়। সেখানে সরকারি খেজুর বিতরণের প্রসঙ্গ তুলে তিনি মন্তব্য করেন বলে আলোচনা তৈরি হয়েছে।

স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন বলে জানা গেছে— যদি হাসনাত আব্দুল্লাহ সংসদ সদস্য না হতেন, তাহলে সরকার যে জনগণের জন্য খেজুর বিতরণ করে তা সাধারণ মানুষ হয়তো জানতেই পারতেন না। এমনকি মানুষ খেজুর পেলেও অনেকেই হয়তো মনে করতেন, স্থানীয় কোনো নেতা তা পাঠিয়েছেন।

তার এই মন্তব্যকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা মতামত দেখা যাচ্ছে। কেউ কেউ এটিকে রাজনৈতিক ব্যঙ্গ বা সমালোচনা হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ বলছেন এটি একটি ব্যক্তিগত মতামত মাত্র। বিষয়টি নিয়ে অনলাইনে আলোচনা চলতে থাকলেও সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক মহলে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া তৎক্ষণাৎ পাওয়া যায়নি।

এদিকে, এই পোস্টের বিষয়ে সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ-এর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। ফলে বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ঠিক কী প্রতিক্রিয়া তৈরি হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাজনৈতিক নেতাদের এমন মন্তব্য বা স্ট্যাটাস প্রায়ই আলোচনার জন্ম দেয়। বিশেষ করে কোনো সরকারি কার্যক্রম বা জনসেবামূলক উদ্যোগ নিয়ে মন্তব্য করলে তা দ্রুতই মানুষের নজরে আসে। এ ক্ষেত্রেও একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে পর্যবেক্ষকদের ধারণা।

অনেকে মনে করছেন, বর্তমান সময়ে ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম রাজনৈতিক মতামত প্রকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হয়ে উঠেছে। ফলে নেতাদের যেকোনো মন্তব্য খুব দ্রুত ভাইরাল হয়ে জনমত তৈরিতে ভূমিকা রাখতে পারে। আবার অনেক সময় এসব মন্তব্যকে কেন্দ্র করে নতুন রাজনৈতিক বিতর্কও তৈরি হয়।

তবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য বা ব্যাখ্যা ছাড়া বিষয়টির পূর্ণ প্রেক্ষাপট স্পষ্টভাবে জানা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন বিশ্লেষকদের কেউ কেউ। ফলে এ বিষয়ে পরবর্তী সময়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া আসে কিনা, সেদিকেই এখন নজর রাখছেন অনেকে।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া ওই স্ট্যাটাসকে ঘিরে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে এবং বিভিন্ন মহলে বিষয়টি নিয়ে নানা ধরনের মতামত প্রকাশ পাচ্ছে।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© ২০২৬ ক্রাইম এডিশন, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

Theme Customized By BreakingNews