1. info@crimeedition.com : Crime Edition : Crime Edition
  2. masud399340@gmail.com : ক্রাইম এডিশন : ক্রাইম এডিশন
শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬, ১২:৩৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ঢাকা-সিরাজগঞ্জ মহাসড়কে ভোর থেকে তীব্র যানজট, চরম ভোগান্তি লালমনিরহাটের কালীগঞ্জে মধ্যরাতে তীব্র শিলাবৃষ্টি, ঘরবাড়ি ও ফসল ক্ষতিগ্রস্ত শেরপুরে আবাসিক ভবনে ২৫ হাজার লিটার ডিজেল মজুদের অভিযোগ বাড়িতে ঢুকে আমির হামজাকে গুলি করে হত্যা গংগাচড়ায় স্বাধীনতা দিবসে কুচকাওয়াজ ও সাইকেল র‍্যালী অনুষ্ঠিত দৌলতদিয়ায় বাসডুবি: নিহত ২৭ জনের পরিচয় প্রকাশ নবীন ফ্যাশন মগবাজার শোরুম বিতর্কে তদন্ত কমিটি, হাতিরঝিল থানার ওসি ক্লোজড হাসনাত আব্দুল্লাহর উদ্যোগে নবীনের শোরুম ফের চালুর ঘোষণা দেশে সবকিছুর দাম বাড়ছে, মানুষের জীবনের মূল্য কমছে: উদ্বেগ প্রকাশ আজহারির ঢাকাগামী চট্টলা এক্সপ্রেসে ইঞ্জিনে আগুন, আতঙ্ক যাত্রীদের

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জে মধ্যরাতে তীব্র শিলাবৃষ্টি, ঘরবাড়ি ও ফসল ক্ষতিগ্রস্ত

ক্রাইম এডিশন, ডেস্ক রিপোর্ট:
  • প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলায় ২৭ মার্চ দিবাগত মধ্যরাতে হঠাৎ তীব্র শিলাবৃষ্টি ও ঝড়ের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, রাত প্রায় ১২টার দিকে শুরু হওয়া এই শিলাবৃষ্টি প্রায় ২০ থেকে ৩০ মিনিট স্থায়ী ছিল, যার ফলে বিভিন্ন এলাকায় বসতবাড়ি ও ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, হঠাৎ করেই আকাশ মেঘে ঢেকে গিয়ে বজ্রপাতসহ বড় আকারের শিলা পড়তে শুরু করে। অনেকেই ঘুমিয়ে থাকায় প্রথমে পরিস্থিতি বুঝে উঠতে পারেননি। শিলার আকার বড় হওয়ায় টিনের তৈরি ঘরের চাল ফুটো হয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে করে ঘরের ভেতরে পানি ঢুকে আসবাবপত্র ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ভিজে যাওয়ায় দুর্ভোগে পড়েন অনেক পরিবার।
ক্ষতিগ্রস্ত কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, এমন শিলাবৃষ্টি তারা আগে খুব কমই দেখেছেন। রাতের অন্ধকারে কিছু করার সুযোগ না থাকায় তারা অসহায় হয়ে পড়েন। অনেক পরিবার ভোর হওয়ার পর ক্ষয়ক্ষতির চিত্র দেখে হতবাক হয়ে যান বলে জানিয়েছেন।
এদিকে কৃষিখাতে বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শিলার আঘাতে তামাক ও ভুট্টার জমি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিশেষ করে তামাক পাতায় বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া আম ও লিচুর মুকুল ঝরে পড়ায় মৌসুমি ফলন নিয়েও শঙ্কা দেখা দিয়েছে বলে কৃষকদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে।
কৃষকদের একজন জানান, অনেকেই ঋণ নিয়ে চাষাবাদ করেছেন। হঠাৎ এমন প্রাকৃতিক দুর্যোগে তাদের আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা। একই সঙ্গে দ্রুত সরকারি সহায়তা প্রয়োজন বলে দাবি উঠেছে।
উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়ন—চন্দ্রপুর, চলবলা ও মদাতি এলাকায় ক্ষতির পরিমাণ বেশি বলে স্থানীয়ভাবে জানা গেছে। তবে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ হিসাব পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের পক্ষ থেকে মাঠ পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বর্তমানে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো নিজ উদ্যোগে টিন মেরামত ও ফসলের ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছেন। তবে আর্থিক সংকটের কারণে অনেকের পক্ষে দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরা কঠিন হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনো বিস্তারিত কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে ক্ষতিগ্রস্তদের দাবি, দ্রুত ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হলে তারা কিছুটা স্বস্তি পেতে পারেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© ২০২৫-২০২৬, ক্রাইম এডিশন, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই সাইটের সমস্ত লেখা, ছবি ও কনটেন্ট কপিরাইট আইনের আওতায়। অনুমতি ছাড়া কপি, ব্যবহার বা পুনঃপ্রকাশ নিষিদ্ধ। স্বত্বাধিকার দাবি থাকলে অনুগ্রহ করে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। যথাযথ যাচাই-বাছাই ও প্রমাণ সাপেক্ষে প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কনটেন্ট অপসারণ করা হবে।

Theme Customized BY LatestNews