ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি (ভিপি) ও বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক সম্পাদক সাদিক কায়েম-এর বিয়ে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১৩ মে রাজধানীতে তার বিয়ের আকদ অনুষ্ঠিত হতে পারে। তবে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
জানা গেছে, বিয়ের আকদ অনুষ্ঠানটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে। পরে রাজধানীর একটি কনভেনশন সেন্টারে মূল আয়োজন হতে পারে বলেও আলোচনা রয়েছে। যদিও অনুষ্ঠানস্থল ও আয়োজন সংক্রান্ত তথ্য নিয়ে সংশ্লিষ্ট পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো বিস্তারিত কিছু নিশ্চিত করা হয়নি।
বিভিন্ন সূত্রের দাবি, সাদিক কায়েমের সম্ভাব্য জীবনসঙ্গীর নাম আনিকা ফরায়েজি। তিনি পেশায় একজন এমবিবিএস চিকিৎসক বলে জানা গেছে। এছাড়া তার গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলায় বলে বিভিন্ন মাধ্যমে উল্লেখ করা হয়েছে।
আরও জানা গেছে, আনিকা ফরায়েজির বাবা একটি শিল্পগোষ্ঠীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং একটি রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তবে এসব তথ্যের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো নথি বা পারিবারিক বক্তব্য এখনো প্রকাশ্যে আসেনি।
এদিকে বিয়ের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিক্ষার্থী ও রাজনৈতিক অঙ্গনের অনেকেই বিভিন্ন ধরনের পোস্ট শেয়ার করছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা দেখা গেছে। কেউ কেউ সাদিক কায়েমকে শুভেচ্ছা জানিয়ে পোস্ট করেছেন বলেও জানা গেছে।
রাজনৈতিক অঙ্গনেও বিষয়টি নিয়ে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। কারণ সাম্প্রতিক সময়ে ডাকসুর বিভিন্ন কার্যক্রম ও শিক্ষার্থীদের ইস্যুতে সক্রিয় ভূমিকার কারণে সাদিক কায়েম আলোচনায় ছিলেন। বিশেষ করে শাহবাগ এলাকায় ডাকসু প্রতিনিধিদের ওপর হামলার অভিযোগ এবং এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে দাবিনামা দেওয়ার বিষয়েও তিনি সংবাদমাধ্যমের শিরোনামে আসেন।
তবে বিয়ের বিষয়ে এখন পর্যন্ত সাদিক কায়েম নিজে কিংবা তার পরিবারের কেউ আনুষ্ঠানিকভাবে গণমাধ্যমে বক্তব্য দেননি। ফলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্যের ভিত্তিতেই আলোচনা চলছে বলে জানা গেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ছাত্ররাজনীতির পরিচিত মুখ হওয়ায় সাদিক কায়েমের ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও সাধারণ মানুষের আগ্রহ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে এ খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। তবে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসা পর্যন্ত বিষয়টিকে নিশ্চিতভাবে দেখার সুযোগ নেই বলেও অনেকে মন্তব্য করেছেন।
বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমজুড়ে এ বিয়ের খবর নিয়ে নানা আলোচনা চললেও সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক বক্তব্যের অপেক্ষায় রয়েছেন অনেকে।