মৌলভীবাজারে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির তৃতীয় ধাপের কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়েছে বলে জানা গেছে। বুধবার (১৭ জুন) জেলার ঐতিহ্যবাহী ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনা করা হয় বলে বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হয়েছে।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উপস্থিত থেকে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন বলে আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের বিস্তারিত বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
জানা গেছে, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় সুবিধাভোগী পরিবারগুলোর মধ্যে বিভিন্ন ধরনের সামাজিক ও অর্থনৈতিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কর্মসূচির তৃতীয় ধাপের উদ্বোধনের মাধ্যমে আরও অধিকসংখ্যক পরিবার এর আওতায় আসবে বলে সংশ্লিষ্টদের ধারণা।
স্থানীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে, অনুষ্ঠানে বিভিন্ন পর্যায়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতাকর্মী, জনপ্রতিনিধি এবং সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে কর্মসূচি নিয়ে আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে বলেও জানা যায়।
এর আগে বুধবার সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর তিনি মৌলভীবাজারের উদ্দেশ্যে রওনা হন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র দাবি করেছে। পরে নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন বলে জানানো হয়।
সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি নিম্ন ও মধ্যআয়ের পরিবারগুলোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে এ কর্মসূচির বাস্তবায়ন, সুবিধাভোগী নির্বাচন এবং বিতরণ প্রক্রিয়া কতটা কার্যকর হবে, তা সময়ই বলে দেবে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় পর্যবেক্ষকদের কেউ কেউ।
এদিকে, কর্মসূচি নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যেও বিভিন্ন ধরনের আলোচনা দেখা গেছে। কেউ কেউ এটিকে জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ কেউ এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। তবে এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলে আরও বিস্তারিত তথ্য জানা সম্ভব হবে।
স্থানীয় প্রশাসন ও আয়োজক সূত্রের দাবি, কর্মসূচির মাধ্যমে নির্ধারিত পরিবারগুলোকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের প্রক্রিয়া আরও গতিশীল করা হবে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে পর্যায়ক্রমে এ ধরনের কার্যক্রম সম্প্রসারণের পরিকল্পনাও থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তবে পুরো বিষয়টির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তর ও দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বিবৃতি পাওয়া গেলে প্রকৃত অবস্থা আরও স্পষ্ট হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।