ক্রাইম এডিশন অনলাইন:
বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতা ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে বলে জানা গেছে। শনিবার (৪ জুলাই) মালয়েশিয়ায় তার সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল এ তথ্য জানান বলে দলীয় সূত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
জানা গেছে, ব্যক্তিগত সফরের অংশ হিসেবে অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল এবং তার সহধর্মিণী মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত মির্জা আব্বাসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎকালে তারা তার বর্তমান শারীরিক অবস্থা, চিকিৎসার অগ্রগতি এবং সার্বিক সুস্থতা নিয়ে খোঁজখবর নেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
সাক্ষাৎ শেষে আলাল বলেন বলে জানা গেছে, মির্জা আব্বাস আগের তুলনায় অনেকটাই সুস্থ আছেন এবং ধীরে ধীরে তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনে চললে মির্জা আব্বাস দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবেন।
দলীয় সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, সাক্ষাতের সময় মির্জা আব্বাস দলের নেতাকর্মী, শুভানুধ্যায়ী এবং দেশের সাধারণ মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে তিনি নিজের দ্রুত ও পূর্ণ সুস্থতার জন্য সবার কাছে দোয়া কামনা করেছেন বলে জানা গেছে।
বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরাও মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থার উন্নতির খবরে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন বলে দলীয় সূত্রে জানা যায়। তাদের প্রত্যাশা, তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে দ্রুত রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে পারবেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দেশের অন্যতম পরিচিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে মির্জা আব্বাসের স্বাস্থ্যগত বিষয়টি দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের কাছে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। ফলে তার সুস্থতার খবর বিভিন্ন মহলে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে বলে জানা গেছে।
এদিকে, চিকিৎসা-সংক্রান্ত বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে বিস্তারিত কোনো বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে দলীয় নেতাদের বক্তব্য অনুযায়ী, তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি অব্যাহত রয়েছে এবং তিনি সুস্থতার পথে এগিয়ে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, একজন অভিজ্ঞ রাজনৈতিক নেতা হিসেবে মির্জা আব্বাসের দ্রুত সুস্থতা তার পরিবার, সহকর্মী এবং সমর্থকদের জন্য স্বস্তির বিষয়। আগামী দিনগুলোতে চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী তার চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কার্যক্রম চলবে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।