ক্রাইম এডিশন অনলাইন:
রাজধানী ঢাকাসহ দেশের কয়েকটি এলাকায় আজ বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। একই সঙ্গে দেশের ছয়টি জেলার ওপর দিয়ে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।
জানা গেছে, বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকেই ঢাকার আকাশ ছিল মেঘাচ্ছন্ন। এমন পরিস্থিতিতে রাজধানী ও আশপাশের এলাকায় বৃষ্টি কিংবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে দিনের শুরুর দিকে আবহাওয়ার পরিবর্তন দেখা দিতে পারে বলে পূর্বাভাসে বলা হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেওয়া ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার পূর্বাভাস অনুযায়ী, সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ছয় ঘণ্টায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময় কোথাও কোথাও বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। পাশাপাশি দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে বলেও জানানো হয়েছে।
এদিকে দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের কয়েকটি এলাকায় তুলনামূলক বেশি ঝোড়ো আবহাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলার ওপর দিয়ে দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা কিংবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এর সঙ্গে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টিও হতে পারে।
অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া সতর্কবার্তায়ও এসব এলাকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা থাকায় সংশ্লিষ্ট নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে বলে জানা গেছে।
আবহাওয়া পরিস্থিতির কারণে নদীপথে চলাচলকারী নৌযানগুলোকে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হতে পারে। বিশেষ করে বজ্রপাত ও হঠাৎ দমকা হাওয়ার সময় নদী বা খোলা এলাকায় অবস্থানকারীদের সতর্ক থাকার প্রয়োজন রয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার সকাল ৬টায় ঢাকায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ২৬ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একই সময়ে বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৯৫ শতাংশ। এর আগের দিন ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আজকের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বলে জানানো হয়েছে।
আবহাওয়ার এই পরিস্থিতিতে রাজধানীর পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ ছয় জেলার বাসিন্দাদের প্রয়োজন ছাড়া খোলা জায়গায় অবস্থান না করার বিষয়ে সতর্ক থাকা ভালো। বিশেষ করে বজ্রবৃষ্টির সময় গাছের নিচে বা বিদ্যুতের খুঁটির আশপাশে অবস্থান না করে নিরাপদ স্থানে থাকার পরামর্শ বিশেষজ্ঞরা দিয়ে থাকেন।
তবে বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার প্রবণতা কতটা স্থায়ী হবে, তা পরবর্তী আবহাওয়া আপডেটের ওপর নির্ভর করবে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরবর্তী পূর্বাভাসে পরিস্থিতির আরও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যেতে পারে।