Eng
জাতীয়, বরিশাল, লিড নিউজ

৮০০ আলেমের সভায় মাদকবিরোধী সচেতনতার আহ্বান প্রতিমন্ত্রীর

প্রকাশিত: , ৪ অক্টোবর ২০২৬ | ৮:৪৫ অপরাহ্ণ




ক্রাইম এডিশন অনলাইন:

মাদকের বিস্তার ঠেকাতে সামাজিক প্রতিরোধ জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন নৌপরিবহন ও সেতু বিভাগের প্রতিমন্ত্রী রাজীব আহসান। এ ক্ষেত্রে প্রশাসনের পাশাপাশি মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও আলেম-ওলামাদের আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। বিশেষ করে মসজিদের খুতবা ও ধর্মীয় আলোচনার মাধ্যমে মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব তুলে ধরে তরুণ ও যুবসমাজকে সচেতন করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রতিমন্ত্রী।
শনিবার (৩ অক্টোবর) বিকেলে বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা মাল্টিপ্লেক্স অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা ও পৌর শাখা জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের উদ্যোগে এ সভার আয়োজন করা হয়। আয়োজকদের ভাষ্য অনুযায়ী, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে ইমাম, মুয়াজ্জিন ও আলেম-ওলামাসহ প্রায় ৮০০ জন এতে অংশ নেন। মাদকের বিস্তার রোধে ধর্মীয় নেতাদের সম্পৃক্ত করে স্থানীয় পর্যায়ে সচেতনতা ও সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলাই ছিল সভার অন্যতম উদ্দেশ্য।
বক্তব্যে রাজীব আহসান বলেন, মাদক শুধু একজন ব্যক্তির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে না; এর প্রভাব পরিবার ও সমাজেও ছড়িয়ে পড়ে। একই সঙ্গে এটি তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যতের জন্যও উদ্বেগের কারণ হতে পারে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি বলেন, একটি এলাকার মানুষের সঙ্গে ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের নিয়মিত যোগাযোগ থাকে। ধর্মীয় বক্তব্যের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতামূলক আলোচনা চালিয়ে গেলে তারা পরিবার ও তরুণদের মধ্যে মাদকবিরোধী মনোভাব তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।
সভায় মাদকবিরোধী সচেতনতার পাশাপাশি সামাজিক উন্নয়ন, নৈতিক মূল্যবোধ জোরদার এবং বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা মোকাবিলায় ধর্মীয় নেতাদের ভূমিকা নিয়েও আলোচনা করা হয়। স্থানীয় পর্যায়ে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে সম্মিলিত উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরা হয়।
অনুষ্ঠানে মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা ও পৌর শাখা বিএনপির নেতারা, জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের নেতৃবৃন্দ এবং ইমাম-মুয়াজ্জিন সমিতির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌর এলাকার ইমাম, মুয়াজ্জিন ও আলেম-ওলামারাও সভায় অংশ নেন।
মাদকের বিরুদ্ধে কার্যকর সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে প্রশাসনিক পদক্ষেপের পাশাপাশি পরিবার, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় সমাজের সচেতন অংশগ্রহণ প্রয়োজন—সভায় বক্তাদের বক্তব্যে এমন গুরুত্বই উঠে আসে। বিশেষ করে ধর্মীয় ও সামাজিক যোগাযোগের সুযোগ কাজে লাগিয়ে তরুণদের মাদক থেকে দূরে রাখার বিষয়ে জোর দেওয়া হয়।