ক্রাইম এডিশন অনলাইন:
সাইফুলের চিকিৎসার বিষয়ে খোঁজখবর নিতে হাসপাতালে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন হাসপাতালের অ্যানেসথেশিয়া বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. এ জেড এম সাইফউদ্দিন, ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুন, ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) আইনবিষয়ক সম্পাদক ডা. এম. আর. হাসান এবং আবাসিক চিকিৎসক ডা. মো. মাজহারুল ইসলাম।
এ ছাড়া ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসনাইন নাহিয়ান সজীব, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক ডা. জহিরুল ইসলাম, ছাত্রদল নেতা মশিউর রহমান মহান এবং শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের নেতা শোআইব ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
খান সাইফুলের অসুস্থতার বিষয়ে প্রকাশিত তথ্যে বলা হয়েছে, ২০১৩ সালে তৎকালীন সরকারের আমলে পুলিশের নির্যাতনের শিকার হওয়ার পর থেকে তিনি দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থতায় ভুগছেন। এর আগে বিভিন্ন সময়ে তারেক রহমানের নির্দেশনায় রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছিল বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
সাইফুলের বর্তমান চিকিৎসা কার্যক্রম বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে চলবে। মেডিকেল বোর্ড গঠনের পর তাঁর চিকিৎসার পরবর্তী পরিকল্পনা নির্ধারণ করা হবে বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।