নিজস্ব প্রতিবেদক:
শেষবারের কথোপকথনের স্মৃতিচারণ করে সজল মিয়া বলেন, ভাইয়ের সঙ্গে সেটিই যে শেষ কথা হবে, তা তাঁরা বুঝতে পারেননি। দেশে ফেরার কথা জানানোর পাশাপাশি পরিবারের সবাইকে ঝগড়া-বিবাদ এড়িয়ে মিলেমিশে থাকার পরামর্শ দিয়েছিলেন ফয়সাল। তাঁর আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবারের উপার্জনক্ষম একজন সদস্যকে হারিয়ে স্বজনেরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।
পরিবারের পক্ষ থেকে ফয়সালের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সরকারের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁর মা, স্ত্রী ও দুই সন্তানের ভবিষ্যৎ বিবেচনায় আর্থিক সহায়তারও দাবি জানিয়েছেন স্বজনেরা। পরিবারের সদস্যরা মনে করছেন, এই কঠিন সময়ে সহযোগিতা পেলে তাঁদের সামনে এগিয়ে চলার ক্ষেত্রে কিছুটা সহায়তা হতে পারে।
এ বিষয়ে কটিয়াদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীমা আফরোজ মারলিজ জানিয়েছেন, প্রশাসনের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য সব ধরনের সহযোগিতার উদ্যোগ নেওয়া হবে। ফয়সালের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় যোগাযোগ ও সহায়তার চেষ্টা করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তবে মরদেহ ফিরিয়ে আনার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়া ও পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করবে।
প্রবাসে দীর্ঘদিন কাজ করে পরিবারের আর্থিক দায়িত্ব পালন করছিলেন ফয়সাল। দেশে ফেরার প্রস্তুতির মধ্যেই তাঁর এমন মৃত্যুতে স্বজনদের মধ্যে গভীর শোক তৈরি হয়েছে। এখন পরিবারের প্রধান প্রত্যাশা, প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে দ্রুত তাঁর মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা এবং শোকাহত পরিবারটির পাশে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া।