ক্রাইম এডিশন অনলাইন:
প্রাথমিকভাবে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, গৃহবধূকে প্রথমে ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করা হয় এবং পরে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ বিবরণ তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়ার বিষয় রয়েছে।
ঘটনার পর অভিযুক্ত স্বামী নিজেই জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ যোগাযোগ করেন। ফোন পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে আব্দুল মান্নান মনিরকে আটক করে হেফাজতে নেওয়া হয়।
বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিন জানান, প্রাথমিকভাবে পারিবারিক কলহের কারণে এ ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নিহত গৃহবধূর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং তদন্তের অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এ ঘটনায় এলাকায় উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। তবে হত্যাকাণ্ডের পেছনে ঠিক কী পরিস্থিতি কাজ করেছে, তা তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। একই সঙ্গে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত ও আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে।