ক্রাইম এডিশন অনলাইন:
গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালসের কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (১৭ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার সফিপুর এলাকায় অবস্থিত প্রতিষ্ঠানটির হারবাল সেকশনের একটি ভবনে আগুনের সূত্রপাত হয়। খবর পেয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করেছে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট।
ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আগুন লাগার খবর পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার ও আগুন নিয়ন্ত্রণের কার্যক্রম শুরু করা হয়। তবে আগুনের সূত্রপাত কীভাবে হয়েছে, তাৎক্ষণিকভাবে সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। একই সঙ্গে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়েছেন কি না, সেটিও প্রাথমিকভাবে জানা যায়নি।
শনিবার বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটের দিকে কারখানার একটি ভবনে আগুন দেখা দিলে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হয়। পরে কালিয়াকৈর ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। অগ্নিকাণ্ডের খবর ছড়িয়ে পড়লে কারখানার আশপাশের এলাকায় ঘটনাটি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়।
কালিয়াকৈর ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা ইফতেখার হোসেন রায়হান চৌধুরী জানান, বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটে ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালসের কারখানার একটি ভবনে আগুন লাগার খবর আসে। পরে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট সেখানে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ শুরু করে।
তিনি আরও জানান, আগুন লাগার কারণ এবং সম্ভাব্য হতাহতের বিষয়ে তখনো কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
কারখানাটির হারবাল সেকশনে আগুন লাগার ঘটনায় ভবনের ভেতরে থাকা সরঞ্জাম, কাঁচামাল ও উৎপাদনসংশ্লিষ্ট উপকরণের কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। অগ্নিকাণ্ডের ফলে প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমে কোনো ধরনের বিঘ্ন ঘটেছে কি না, সে বিষয়েও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
শিল্পকারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আগুনের উৎস শনাক্ত করা এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা গুরুত্বপূর্ণ। তবে এ ক্ষেত্রে আগুনের প্রকৃত কারণ জানতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পরবর্তী তথ্যের অপেক্ষা করতে হবে। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ইউনিটগুলো কাজ শুরু করলেও সর্বশেষ পরিস্থিতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
এ ঘটনায় আগুনের কারণ, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এবং হতাহতের বিষয়ে নতুন কোনো তথ্য পাওয়া গেলে পরিস্থিতির পূর্ণাঙ্গ চিত্র স্পষ্ট হতে পারে। আপাতত ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিটের আগুন নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পরবর্তী বক্তব্যই এ ঘটনার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।