
ক্রাইম এডিশন অনলাইন:
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে জাপান সফরে গেছেন আমজনতা দলের সদস্যসচিব তারেক রহমান। জীবনে প্রথমবারের মতো দেশের বাইরে যাওয়ার অভিজ্ঞতা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হতে পেরে কৃতজ্ঞতা ও আনন্দের কথাও জানিয়েছেন এই রাজনৈতিক নেতা।
চার দিনের সরকারি সফরে জাপানের উদ্দেশে রোববার (২৫ অক্টোবর) দিবাগত রাতে ঢাকা ছাড়েন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাত ১২টা ১০ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইটে তিনি যাত্রা করেন।
প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গীদের মধ্যে রয়েছেন তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান এবং মন্ত্রিপরিষদের কয়েকজন সদস্য। এ ছাড়া আমজনতা দলের সদস্যসচিব তারেক রহমানও এই সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রয়েছেন।
বিদেশ সফরের অভিজ্ঞতা জানিয়ে রোববার দিবাগত রাত ১২টা ৭ মিনিটে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি পোস্ট দেন আমজনতা দলের সদস্যসচিব তারেক রহমান। সেখানে তিনি বিমানে নিজের আসন ও প্রধানমন্ত্রীর আসনের অবস্থানসহ যাত্রার শুরুর মুহূর্তের বর্ণনা দেন।
পোস্টে তিনি জানান, বিমানে প্রধানমন্ত্রীর আসন থেকে চারটি আসন দূরে তার আসন ছিল। সফরসঙ্গীরা নিজ নিজ আসনে বসার পর বিমানের মাইকে ‘আল্লাহু আকবর’ ধ্বনি শোনা যায়। এরপর বিমান উড্ডয়নের সময় হালকা ঝাঁকুনির কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে আমজনতা দলের এই নেতা লেখেন, জীবনে প্রথমবারের মতো দেশের বাইরে যাচ্ছেন তিনি। আর সেই যাত্রা হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে, জাপানের উদ্দেশে। এ সুযোগের জন্য মহান আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানোর পাশাপাশি সবার প্রতি ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে কেন্দ্র করে দুই দেশের সম্পর্ক ও পারস্পরিক সহযোগিতার বিভিন্ন বিষয় নিয়েও আগ্রহ তৈরি হয়েছে। চার দিনের সফরে জাপানের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, যোগাযোগ এবং সম্ভাব্য সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো গুরুত্ব পেতে পারে বলে সফরকে ঘিরে প্রত্যাশা রয়েছে। তবে সফরের আলোচ্যসূচি ও বৈঠকের নির্দিষ্ট বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য ছাড়া কোনো সিদ্ধান্ত বা চুক্তির বিষয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না।
আমজনতা দলের সদস্যসচিব তারেক রহমানের এই সফরসঙ্গী হওয়া এবং তার প্রথম বিদেশযাত্রার অভিজ্ঞতা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশের বিষয়টি রাজনৈতিক অঙ্গনেও আলোচনার একটি প্রসঙ্গ হয়ে উঠেছে। তার পোস্টে মূলত যাত্রার মুহূর্ত, ব্যক্তিগত অনুভূতি এবং কৃতজ্ঞতার বিষয়গুলো উঠে এসেছে।




