1. info@crimeedition.com : Crime Edition : Crime Edition
  2. masud399340@gmail.com : ক্রাইম এডিশন : ক্রাইম এডিশন
রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ০৫:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ঈদযাত্রায় অনিয়মের অভিযোগ, মুখ খুললেন ডা শফিকুর রহমান ৫০০ টাকার ভাড়া ১২০০-১৬০০ টাকা, ঈদে গাজীপুরে নৈরাজ্য—মন্ত্রীর বক্তব্যে ভিন্ন চিত্র ঈদযাত্রায় অতিরিক্ত ভাড়া অভিযোগ নেই ২০-৩০ টাকা কম নেওয়ার ঘটনা রয়েছে নরসিংদীতে পৃথক ঘরে দুই বন্ধুর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার আত্মসমালোচনার বার্তা দিলেন এনসিপি নেতা নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারী ময়মনসিংহে ছাদ থেকে পড়ে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু সংসদে লিখিত বক্তব্য নিয়ে বিতর্ক, ফেসবুক পোস্টে প্রশ্ন গোবিপ্রবি শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, দাম্পত্য কলহের অভিযোগ লালমনিরহাটে ঈদযাত্রায় ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেল একই পরিবারের তিনজন বঙ্গবন্ধুর ১০৬তম জন্মবার্ষিকী আজ

আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ড, খালাস পেয়েছে তিন আসামি

  • প্রকাশিত: শনিবার, ১৭ মে, ২০২৫

ক্রাইম এডিশন ডেস্ক।

 

 

মাগুরা জেলার বহুল আলোচিত শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায়ে একজনের মৃত্যুদণ্ড এবং তিনজন আসামিকে খালাস দিয়েছেন আদালত। শনিবার (১৭ মে ২০২৫) সকালে মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জাহিদ হাসান এই রায় ঘোষণা করেন।

 

ঘটনাটি ঘটে চলতি বছরের ৬ মার্চ। সেদিন আট বছরের শিশু আছিয়া খাতুন মাগুরা শহরের নিজনান্দুয়ালী গ্রামে তার বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গেলে নির্মমভাবে ধর্ষণের শিকার হয়। ধর্ষণের পর গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে তাৎক্ষণিকভাবে মাগুরা সদর হাসপাতাল এবং পরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং পরে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৩ মার্চ, ২০২৫ তারিখে মারা যায় নিষ্পাপ শিশুটি।

 

এই হৃদয়বিদারক ঘটনায় দেশজুড়ে ব্যাপক ক্ষোভের সঞ্চার হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন পর্যায়ে মানুষ দ্রুত বিচারের দাবি তোলে। পুলিশ দ্রুত তদন্ত করে ১৩ এপ্রিল মামলার চার্জশিট জমা দেয় এবং ২৩ এপ্রিল অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার কার্যক্রম শুরু হয়। টানা শুনানি শেষে মাত্র ১২ কার্যদিবসে শেষ হয় এই মামলার বিচার কার্যক্রম। রাষ্ট্রপক্ষে মোট ২৯ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দেন।

 

মামলার মূল আসামি হিটু শেখকে দোষী সাব্যস্ত করে আদালত মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন। তবে প্রমাণের অভাবে মামলার অন্য তিন আসামিকে আদালত খালাস দেন। বিচারক রায়ে উল্লেখ করেন, শিশু নির্যাতন ও ধর্ষণের মতো অপরাধে কঠোর বিচার নিশ্চিত করাই সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে পারে।

 

এই রায়ের মাধ্যমে অনেকেই সন্তুষ্টি প্রকাশ করলেও খালাস পাওয়া তিন আসামির বিষয়ে আবারও তদন্ত ও আপিলের দাবি তুলেছেন ভুক্তভোগীর পরিবার ও মানবাধিকার কর্মীরা। তারা মনে করছেন, মামলার সব আসামির ভূমিকা আরও বিস্তারিতভাবে খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

 

শিশু আছিয়ার মতো একটি নিষ্পাপ প্রাণের নির্মম মৃত্যু আমাদের সমাজে নিরাপত্তার অভাব এবং নারী ও শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজনীয়তাকে সামনে এনে দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছেন, দ্রুত বিচার প্রক্রিয়া এই মামলায় একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে, যা ভবিষ্যতে এমন অপরাধের বিরুদ্ধে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও বিচার বিভাগের আন্তরিকতা প্রদর্শন করে।

 

মামলার রায় ঘোষণার পর মাগুরা আদালত প্রাঙ্গণে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় এবং জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে দ্রুতই উচ্চ আদালতে স্থানান্তরের প্রক্রিয়া শুরু করা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি সোম
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  

© ২০২৫-২০২৬, ক্রাইম এডিশন, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই সাইটের সমস্ত লেখা, ছবি ও কনটেন্ট কপিরাইট আইনের আওতায়। অনুমতি ছাড়া কপি, ব্যবহার বা পুনঃপ্রকাশ নিষিদ্ধ। স্বত্বাধিকার দাবি থাকলে অনুগ্রহ করে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। যথাযথ যাচাই-বাছাই ও প্রমাণ সাপেক্ষে প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কনটেন্ট অপসারণ করা হবে।

Theme Customized BY LatestNews