বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ঢাকা কলেজে সংঘর্ষ: ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের পাল্টাপাল্টি অভিযোগে উত্তেজনা সারজিস আলমের মন্তব্যে ছাত্রদল নিয়ে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু এইচএসসির ব্যবহারিক পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষা বোর্ডের নতুন নির্দেশনা অভিজ্ঞতা ছাড়াই ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে আবেদন করার সুযোগ ৫ আগস্ট উপলক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জরুরি কর্মসূচি পালনের নির্দেশনা জারি সম্পত্তি দানেও আজীবন অধিকার রাখবেন বাবা-মা ভারত থেকে কাঁচা মরিচ আমদানি শুরু, বাজারদর কমার আশা গাজীপুর ভূমি অফিসে অনিয়ম অভিযোগে চার কর্মকর্তা সাময়িক বরখাস্ত ১৫ টাকার চালে ৫৫ লাখ পরিবার, ছয় মাস সুবিধা মিলবে মৃত শিক্ষকের বেতন ইস্যুতে বিস্ফোরক বক্তব্য অভিযুক্ত নেতার

লালমনিরহাটে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১৫০০ পিস ট্যাপেন্টাডলসহ এক নারী গ্রেফতার

  • প্রকাশিত: সোমবার, ২৩ জুন, ২০২৫

ক্রাইম এডিশন। অনলাইন ডেস্ক।

 

লালমনিরহাট জেলা পুলিশের মাদকবিরোধী কঠোর অবস্থানের অংশ হিসেবে পরিচালিত এক বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ এক নারী মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ২২ জুন ২০২৫ ইং তারিখে লালমনিরহাট সদর থানা পুলিশের এই অভিযানে এক হাজার পাঁচশত পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট এবং মাদক বিক্রয়ের নগদ বারো হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।

 

বিশ্বস্ত সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে লালমনিরহাট জেলার পুলিশ সুপার জনাব মোঃ তরিকুল ইসলাম এর সার্বিক দিকনির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে এই অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানটি সদর উপজেলার পৌরসভার নামাটারী ওয়ার্ডের একটি ভাড়া বাসায় পরিচালিত হয়। টার্গেট করা বাড়িটি ছিল টিনসেড নির্মিত এবং সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত কক্ষের শয়ন ঘরের খাটের তোশকের নিচ থেকে মাদকের চালানটি উদ্ধার করা হয়।

 

এই অভিযানে আটক করা হয় মোছাঃ লুনা খাতুন ওরফে সুমি (২৬) নামের এক নারীকে, যিনি দীর্ঘদিন ধরে গোপনে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে নজরদারিতে ছিলেন। তার বাসা থেকে উদ্ধার করা ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটগুলো উচ্চ মাত্রার নেশাজাতীয় ওষুধ হিসেবে পরিচিত, যা অপব্যবহারে তরুণ সমাজের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। পাশাপাশি উদ্ধারকৃত নগদ টাকাও মাদক বিক্রয়ের অর্থ বলেই ধারণা করা হচ্ছে।

 

গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা রুজু করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদে সে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে যা মাদকের বড় কোনো সিন্ডিকেটকে খুঁজে বের করার কাজে সহায়ক হতে পারে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যান্যদের খুঁজে বের করতে তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

 

জেলা পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, “মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার নিয়ন্ত্রণে পুলিশের ভূমিকা সবসময়ই জিরো টলারেন্স। সমাজে মাদকের আগ্রাসন রোধে এই ধরনের অভিযান নিয়মিত চলবে।”

 

পুলিশ সাধারণ জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, কেউ যদি তার আশপাশে মাদক ব্যবসার সাথে সংশ্লিষ্ট কোনো তথ্য পান, তাহলে তা গোপনে পুলিশকে জানিয়ে সহায়তা করতে অনুরোধ করা হচ্ছে।

 

মাদকসেবী ও ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানকে আরও বেগবান করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দিনরাত নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছে। এই কঠোর পদক্ষেপের ফলে জেলার বিভিন্ন এলাকায় মাদক কারবারিদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এবং অনেকেই গা-ঢাকা দিচ্ছে বলেও জানা গেছে।

 

মাদককে ‘না’ বলুন।

সচেতন হোন, সচেতন করুন।

পুলিশকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করুন।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© ২০২৬ ক্রাইম এডিশন, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

Theme Customized By BreakingNews