বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:১৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ঢাকা কলেজে সংঘর্ষ: ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের পাল্টাপাল্টি অভিযোগে উত্তেজনা সারজিস আলমের মন্তব্যে ছাত্রদল নিয়ে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু এইচএসসির ব্যবহারিক পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষা বোর্ডের নতুন নির্দেশনা অভিজ্ঞতা ছাড়াই ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে আবেদন করার সুযোগ ৫ আগস্ট উপলক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জরুরি কর্মসূচি পালনের নির্দেশনা জারি সম্পত্তি দানেও আজীবন অধিকার রাখবেন বাবা-মা ভারত থেকে কাঁচা মরিচ আমদানি শুরু, বাজারদর কমার আশা গাজীপুর ভূমি অফিসে অনিয়ম অভিযোগে চার কর্মকর্তা সাময়িক বরখাস্ত ১৫ টাকার চালে ৫৫ লাখ পরিবার, ছয় মাস সুবিধা মিলবে মৃত শিক্ষকের বেতন ইস্যুতে বিস্ফোরক বক্তব্য অভিযুক্ত নেতার

লালমনিরহাটে পিকনিকে ডিজে গানের উচ্চস্বরে পরীক্ষা ব্যাহত, উদ্বেগ বাড়ছে

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ২১ নভেম্বর, ২০২৫

ক্রাইম এডিশন, অনলাইন ডেস্ক:

 

লালমনিরহাট জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও গ্রামীণ এলাকাজুড়ে শীতকালীন পিকনিক মৌসুমে আনন্দ-উৎসবের পাশাপাশি ডিজে সাউন্ড ব্যবহারের মাত্রাতিরিক্ত শব্দ এখন পরিণত হয়েছে বড় একটি সামাজিক সমস্যায়। বিশেষ করে হাতীবান্ধা, কালীগঞ্জ, আদিতমারী, পাটগ্রামসহ জেলার বিভিন্ন স্থানে পিকনিক অনুষ্ঠানে উচ্চস্বরে ডিজে গান বাজানো দিনের পর দিন চলমান থাকলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যথাযথ নজরদারি না থাকায় বিষয়টি ক্রমেই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে।

 

বর্তমান সময়ে জেলার স্কুল, কলেজসহ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে বার্ষিক পরীক্ষা চলমান রয়েছে। কিন্তু আবাসিক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আশপাশে পিকনিকের নামে উচ্চক্ষমতার সাউন্ড সিস্টেম ব্যবহার করায় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোযোগ দিতে বড় ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। পরীক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এই শব্দ দূষণ শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ ও একাগ্রতা নষ্ট করছে বলেও অভিযোগ রয়েছে অভিভাবকদের।

 

এমন অবস্থায় সচেতন মহল বলছে, পিকনিক আনন্দের একটি অংশ হলেও আইন অনুসারে জনবসতিপূর্ণ এলাকা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও চিকিৎসা কেন্দ্রের নিকট উচ্চস্বরে সাউন্ড সিস্টেম ব্যবহার করা দণ্ডনীয় অপরাধ। শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণ আইন ২০০৬–এ পরিষ্কারভাবে উল্লেখ আছে, বিনোদনের ক্ষেত্রে শব্দের মাত্রা ৫৫ ডেসিবেল (দিবাকাল) ও ৫০ ডেসিবেল (রাত্রিকাল) অতিক্রম করা যাবে না। কিন্তু বাস্তবে তার সম্পূর্ণ বিপরীত চিত্র দেখা যাচ্ছে এলাকাজুড়ে।

 

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বিভিন্ন গ্রামের খোলা মাঠ, স্কুলের মাঠ, এমনকি রাস্তার ধারে অনুষ্ঠান করে রাতভর ডিজে গান বাজানো হচ্ছে। এতে অসুস্থ, বয়স্ক, ছোট শিশু এবং পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়া শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি ভুক্তভোগী। অনেকে ফোন করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানালেও তেমন কোনো কার্যকর ব্যবস্থা চোখে পড়েনি।

 

মানুষের শান্তিপূর্ণ জীবনযাপন ও শিক্ষার অনুকূল পরিবেশের কথা বিবেচনা করে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন সাধারণ মানুষ। একই সঙ্গে সামাজিক অনুষ্ঠানগুলো যেন আনন্দময় হলেও নিয়ন্ত্রিত মাত্রার মধ্যে হয়, তা নিশ্চিত করা সময়ের দাবি।

 

সমাজের সচেতন ও শিক্ষিত নাগরিকরা মনে করেন, প্রত্যেকের সাংস্কৃতিক অধিকার যেমন মূল্যবান, তেমনি অপরের শিক্ষা, বিশ্রাম ও শান্তিপূর্ণ জীবনের অধিকারও সমভাবে মর্যাদাপূর্ণ। তাই আইন মেনে অনুষ্ঠান উপভোগ ও শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে সবাইকে সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা জরুরি।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

শুক্র শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  

© ২০২৬ ক্রাইম এডিশন, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

Theme Customized By BreakingNews