1. info@crimeedition.com : Crime Edition : Crime Edition
  2. masud399340@gmail.com : ক্রাইম এডিশন : ক্রাইম এডিশন
সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৪:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সখীপুরে স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাউদ্দিনের গণসংযোগে জনগণের উৎসবমুখর সমর্থন জুলাই আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলাকারী পুলিশ ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত জানাজায় জামায়াত শিবির নেতাদের না রাখার আহ্বান ছাত্রদল নেতার জামায়াতকে ভোট দিলে মৃতদেহের হুঁশিয়ারি দিলেন বিএনপি প্রার্থী ফজলুর রহমান জামায়াতের নতুন আমির হিসেবে আজ শপথ নেবেন ডা শফিকুর বাংলাদেশে আওয়ামী স্টাইলে নির্বাচন ঠেকাতে জনগণের অঙ্গীকারের ঘোষণা হাজীগঞ্জে পচা খাবার সংরক্ষণ, চার প্রতিষ্ঠানে জরিমানা অভিযান লালমনিরহাটে মিথ্যা মামলার অভিযোগ তুলে ভুক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন পরিবর্তনের স্বপ্ন নিয়ে মাঠে নেমেছেন নাজমুল মন্ডল ভোলাহাট সীমান্তে বিপুল পরিমাণ নেশা জাতীয় ট্যাবলেট জব্দ করল মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি)।

লালমনিরহাটে পিকনিকে ডিজে গানের উচ্চস্বরে পরীক্ষা ব্যাহত, উদ্বেগ বাড়ছে

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ২১ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৮৯ বার পড়া হয়েছে

ক্রাইম এডিশন, অনলাইন ডেস্ক:

 

লালমনিরহাট জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও গ্রামীণ এলাকাজুড়ে শীতকালীন পিকনিক মৌসুমে আনন্দ-উৎসবের পাশাপাশি ডিজে সাউন্ড ব্যবহারের মাত্রাতিরিক্ত শব্দ এখন পরিণত হয়েছে বড় একটি সামাজিক সমস্যায়। বিশেষ করে হাতীবান্ধা, কালীগঞ্জ, আদিতমারী, পাটগ্রামসহ জেলার বিভিন্ন স্থানে পিকনিক অনুষ্ঠানে উচ্চস্বরে ডিজে গান বাজানো দিনের পর দিন চলমান থাকলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যথাযথ নজরদারি না থাকায় বিষয়টি ক্রমেই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে।

 

বর্তমান সময়ে জেলার স্কুল, কলেজসহ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে বার্ষিক পরীক্ষা চলমান রয়েছে। কিন্তু আবাসিক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আশপাশে পিকনিকের নামে উচ্চক্ষমতার সাউন্ড সিস্টেম ব্যবহার করায় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোযোগ দিতে বড় ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। পরীক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এই শব্দ দূষণ শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ ও একাগ্রতা নষ্ট করছে বলেও অভিযোগ রয়েছে অভিভাবকদের।

 

এমন অবস্থায় সচেতন মহল বলছে, পিকনিক আনন্দের একটি অংশ হলেও আইন অনুসারে জনবসতিপূর্ণ এলাকা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও চিকিৎসা কেন্দ্রের নিকট উচ্চস্বরে সাউন্ড সিস্টেম ব্যবহার করা দণ্ডনীয় অপরাধ। শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণ আইন ২০০৬–এ পরিষ্কারভাবে উল্লেখ আছে, বিনোদনের ক্ষেত্রে শব্দের মাত্রা ৫৫ ডেসিবেল (দিবাকাল) ও ৫০ ডেসিবেল (রাত্রিকাল) অতিক্রম করা যাবে না। কিন্তু বাস্তবে তার সম্পূর্ণ বিপরীত চিত্র দেখা যাচ্ছে এলাকাজুড়ে।

 

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বিভিন্ন গ্রামের খোলা মাঠ, স্কুলের মাঠ, এমনকি রাস্তার ধারে অনুষ্ঠান করে রাতভর ডিজে গান বাজানো হচ্ছে। এতে অসুস্থ, বয়স্ক, ছোট শিশু এবং পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়া শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি ভুক্তভোগী। অনেকে ফোন করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানালেও তেমন কোনো কার্যকর ব্যবস্থা চোখে পড়েনি।

 

মানুষের শান্তিপূর্ণ জীবনযাপন ও শিক্ষার অনুকূল পরিবেশের কথা বিবেচনা করে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন সাধারণ মানুষ। একই সঙ্গে সামাজিক অনুষ্ঠানগুলো যেন আনন্দময় হলেও নিয়ন্ত্রিত মাত্রার মধ্যে হয়, তা নিশ্চিত করা সময়ের দাবি।

 

সমাজের সচেতন ও শিক্ষিত নাগরিকরা মনে করেন, প্রত্যেকের সাংস্কৃতিক অধিকার যেমন মূল্যবান, তেমনি অপরের শিক্ষা, বিশ্রাম ও শান্তিপূর্ণ জীবনের অধিকারও সমভাবে মর্যাদাপূর্ণ। তাই আইন মেনে অনুষ্ঠান উপভোগ ও শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে সবাইকে সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা জরুরি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© ২০২৫, ক্রাইম এডিশন, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই সাইটের সমস্ত লেখা, ছবি ও কনটেন্ট কপিরাইট আইনের আওতায়। অনুমতি ছাড়া কপি, ব্যবহার বা পুনঃপ্রকাশ নিষিদ্ধ। স্বত্বাধিকার দাবি থাকলে অনুগ্রহ করে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। যথাযথ যাচাই-বাছাই ও প্রমাণ সাপেক্ষে প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কনটেন্ট অপসারণ করা হবে।

Theme Customized BY LatestNews