মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ১১:১২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জামায়াত এমপির দ্বিতীয় বিয়ে বিতর্কে নতুন ভিডিও বার্তা চিকিৎসা নিশ্চিতের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জুলকারনাইন সায়েরের পোস্টে আলোচিত জামায়াতের চিঠি, বাড়ছে প্রশ্ন ভেনেজুয়েলার ভূমিকম্পে মৃ/তের সংখ্যা ছাড়াল পাঁচ হাজার বিচারাধীন মামলা কমানোর নতুন পরিকল্পনা জানাল আইন মন্ত্রণালয় সরকারি হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র সচিব সিয়ামের দিল্লি হাইকমিশনার নিয়োগে জোর আলোচনা চলছে উন্নয়ন অধিকার নাকি দয়া, প্রশ্ন তুললেন ডা. মাহমুদা মিতু মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের স্বীকৃতি দাবিতে নতুন বক্তব্য দিলেন নাহিদ ইসলাম সংবিধান ও গণভোট প্রসঙ্গে বক্তব্য দিলেন সারজিস আলম

রবিবার সন্ধ্যায় ডা. শফিকুর রহমান ও নাহিদের বাসায় যাবেন তারেক রহমান

  • প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান রোববার সন্ধ্যায় ডাঃ শফিকুর রহমান ও নাহিদ ইসলাম–এর বাসভবনে সৌজন্য সাক্ষাতে যেতে পারেন বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে। দলীয় একাধিক সূত্রের বরাতে এমন তথ্য জানা গেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক লিখিত ঘোষণা এখনো পাওয়া যায়নি।

সূত্রগুলো জানায়, রোববার সন্ধ্যা ৭টার দিকে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের বাসায় যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বিএনপি চেয়ারম্যানের। সেখানে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও নির্বাচন-পরবর্তী প্রেক্ষাপট নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এরপর রাত ৮টার দিকে জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের বাসায় যাওয়ার কথাও শোনা যাচ্ছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন দলের সঙ্গে সৌজন্য বিনিময় ও মতবিনিময়কে ঘিরে এমন উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করতে পারে। বিশেষ করে সাম্প্রতিক ভোটের ফলাফল ও নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের প্রেক্ষাপটে এ ধরনের সাক্ষাৎ ভবিষ্যৎ সমন্বয় ও সম্পর্কের ইঙ্গিত দিতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন।

বিএনপির একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র দাবি করেছে, এই সফরের উদ্দেশ্য মূলত সৌজন্য সাক্ষাৎ ও পারস্পরিক শুভেচ্ছা বিনিময়। নির্বাচনের পর বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা এবং সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার অংশ হিসেবেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে দলটির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক ব্রিফিং না আসা পর্যন্ত বিষয়টি নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।

এদিকে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা রয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ের ঘটনাপ্রবাহে বিরোধী ও সমমনা দলগুলোর মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি পেয়েছে। নির্বাচন-পরবর্তী উত্তেজনা কমিয়ে স্থিতিশীল পরিবেশ গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও এমন বৈঠক ভূমিকা রাখতে পারে বলে অনেকে মত দিচ্ছেন। যদিও কোনো পক্ষই এখন পর্যন্ত বৈঠকের নির্দিষ্ট এজেন্ডা প্রকাশ করেনি।

সংশ্লিষ্ট মহলের ভাষ্য অনুযায়ী, সৌজন্য সাক্ষাৎ হলেও রাজনৈতিক বার্তা ও ভবিষ্যৎ কৌশল নিয়ে আলোচনা হতে পারে। তবে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য না পাওয়া পর্যন্ত সবকিছুই আলোচনার পর্যায়েই রয়েছে।

পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, সেটি জানতে রাজনৈতিক মহল অপেক্ষায় রয়েছে।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© ২০২৬ ক্রাইম এডিশন, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

Theme Customized By BreakingNews