মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ১১:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
এমপি নজরুলের ভাইরাল ভিডিও এআই কি না, জানাল রিউমর স্ক্যানার লালমনিরহাটে সরকারি অর্থ ব্যয়ের অভিযোগে ব্যাখ্যা দিলেন এমপি রোকন উদ্দিন বাবুল জামায়াত এমপির দ্বিতীয় বিয়ে বিতর্কে নতুন ভিডিও বার্তা চিকিৎসা নিশ্চিতের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জুলকারনাইন সায়েরের পোস্টে আলোচিত জামায়াতের চিঠি, বাড়ছে প্রশ্ন ভেনেজুয়েলার ভূমিকম্পে মৃ/তের সংখ্যা ছাড়াল পাঁচ হাজার বিচারাধীন মামলা কমানোর নতুন পরিকল্পনা জানাল আইন মন্ত্রণালয় সরকারি হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র সচিব সিয়ামের দিল্লি হাইকমিশনার নিয়োগে জোর আলোচনা চলছে উন্নয়ন অধিকার নাকি দয়া, প্রশ্ন তুললেন ডা. মাহমুদা মিতু

‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ চাঁদাবাজ মুর্দাবাদ: পাটওয়ারী

  • প্রকাশিত: শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ স্লোগানকে ঘিরে চলমান বিতর্ক। এ ইস্যুতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত দিয়েছেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। তিনি বলেন, “ইনকিলাব জিন্দাবাদ, চাঁদাবাজ মুর্দাবাদ”—এই স্লোগানের মধ্য দিয়েই নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন বলে দাবি করেন।

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাতে দেওয়া এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি এ মন্তব্য করেন বলে জানা গেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ভাষা ও রাজনৈতিক সংস্কৃতির প্রশ্নে সাম্প্রতিক মন্তব্য ঘিরেই এই প্রতিক্রিয়া এসেছে। তবে বিষয়টি নিয়ে ভিন্নমতও রয়েছে বিভিন্ন মহলে।

এর আগে একই প্রসঙ্গে দলটির অন্য নেতারাও বক্তব্য দিয়েছেন। দলটির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এবং কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পৃথক প্রতিক্রিয়া জানান বলে অভিযোগ উঠেছে। তাদের বক্তব্যেও স্লোগানটি নিয়ে রাজনৈতিক ব্যাখ্যা তুলে ধরা হয় বলে জানা যায়।

উল্লেখ্য, এ বিতর্কের সূত্রপাত ঘটে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু-এর এক বক্তব্যকে কেন্দ্র করে। শনিবার সকালে সিরাজগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন বলে দাবি করা হয়, “বাংলাকে যদি ধারণ করতে হয়, বাংলা ভাষাকে যদি মায়ের ভাষা বলতে হয়, তাহলে ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ চলবে না। এ ধরনের স্লোগানের সঙ্গে বাংলার কোনো সম্পর্ক নেই।”

মন্ত্রীর এমন মন্তব্যের পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। কেউ কেউ ভাষা আন্দোলনের চেতনার সঙ্গে স্লোগানটির সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, আবার কেউ রাজনৈতিক ইতিহাসের বিভিন্ন প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন। সমর্থকরা বলছেন, এটি একটি রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করার প্রচেষ্টা। অন্যদিকে সমালোচকদের মতে, ভাষা ও সংস্কৃতির প্রশ্নে এমন মন্তব্য নতুন বিতর্ক তৈরি করতে পারে।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের অভিমত, ভাষা, সংস্কৃতি ও রাজনীতির মেলবন্ধন বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে বহুবার গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘিরে যখন ভাষার মর্যাদা ও চেতনা নিয়ে আলোচনা হয়, তখন এ ধরনের মন্তব্য আরও বেশি গুরুত্ব পায়।

তবে এখনো পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো যৌথ ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। বিষয়টি রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তাপ ছড়াবে কি না, তা সময়ই বলে দেবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© ২০২৬ ক্রাইম এডিশন, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

Theme Customized By BreakingNews