বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ঢাকা কলেজ উত্তপ্ত, ছাত্রদলের ভূমিকায় প্রশংসা নয়নের সারজিস আলমের মন্তব্যে ছাত্রদল নিয়ে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু এইচএসসির ব্যবহারিক পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষা বোর্ডের নতুন নির্দেশনা অভিজ্ঞতা ছাড়াই ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে আবেদন করার সুযোগ ৫ আগস্ট উপলক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জরুরি কর্মসূচি পালনের নির্দেশনা জারি সম্পত্তি দানেও আজীবন অধিকার রাখবেন বাবা-মা ভারত থেকে কাঁচা মরিচ আমদানি শুরু, বাজারদর কমার আশা গাজীপুর ভূমি অফিসে অনিয়ম অভিযোগে চার কর্মকর্তা সাময়িক বরখাস্ত ১৫ টাকার চালে ৫৫ লাখ পরিবার, ছয় মাস সুবিধা মিলবে মৃত শিক্ষকের বেতন ইস্যুতে বিস্ফোরক বক্তব্য অভিযুক্ত নেতার

স্মার্টফোন সস্তা করতে নতুন পরিকল্পনা সরকারের, দাম নামবে আড়াই হাজারে

  • প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬

বাংলাদেশে স্মার্টফোনের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে এবং সংশ্লিষ্ট মহলে এমন আলোচনা চলছে বলে জানা গেছে। সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে এ বিষয়ে আগ্রহ দেখানো হয়েছে, যেখানে লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে—স্মার্টফোনের দাম ২ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার টাকার মধ্যে নিয়ে আসা।

শনিবার রাজধানীর একটি সেমিনারে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ এ ধরনের পরিকল্পনার কথা বলেন বলে জানা গেছে। তিনি উল্লেখ করেন, দেশের এখনো প্রায় অর্ধেক মানুষের হাতে স্মার্টফোন পৌঁছেনি, যা ডিজিটাল অগ্রগতির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বক্তব্যে তিনি বলেন বলে জানা গেছে, বর্তমানে যেখানে একটি সাধারণ ফিচার ফোন ৯০০ থেকে ১ হাজার টাকায় কেনা যায়, সেখানে সর্বনিম্ন দামের স্মার্টফোনও ৯ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকার মধ্যে। এই ব্যবধান কমিয়ে আনতে সরকার বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংক, মোবাইল অপারেটর এবং মোবাইল প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে একটি কার্যকর সমাধান বের করার চেষ্টা চলছে বলে জানা গেছে। পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে কৃষক, দিনমজুর কিংবা নিম্ন আয়ের মানুষও সহজেই স্মার্টফোন ব্যবহার করতে পারবেন—এমন ধারণা প্রকাশ করা হয়েছে।

একইসঙ্গে ‘ওয়ান সিটিজেন, ওয়ান ডিজিটাল আইডি, ওয়ান ডিজিটাল ওয়ালেট’ নীতির কথাও আলোচনায় এসেছে বলে জানা গেছে। এর আওতায় জন্মের পর থেকেই একজন নাগরিকের জন্য একটি ডিজিটাল আইডি তৈরি করা হবে, যা একটি ডিজিটাল ওয়ালেটের সঙ্গে সংযুক্ত থাকবে। এই ডিজিটাল ওয়ালেট ব্যাংকিং ও মোবাইল আর্থিক সেবার সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দেশের ১৮ কোটির বেশি মানুষ সরাসরি ডিজিটাল অর্থনীতির আওতায় আসতে পারে। তবে বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্নও উঠেছে।

সেমিনারে টেলিযোগাযোগ খাতের বর্তমান অবস্থা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে বলেও জানা গেছে। খাতটিকে একটি সমষ্টিগত ব্যর্থতা হিসেবে উল্লেখ করা হলেও এটিকে নতুন সম্ভাবনা হিসেবে কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া মোবাইল সেবায় উচ্চ কর কাঠামো নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বলা হচ্ছে, একজন গ্রাহক ১০০ টাকা রিচার্জ করলে কার্যত ৬২ টাকার সেবা পান, বাকি অর্থ কর হিসেবে কেটে নেওয়া হয়। এ ধরনের কর কাঠামো গ্রাহক, অপারেটর ও উৎপাদক—সবার ওপর চাপ তৈরি করছে বলে মতামত দেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, টেলিকম খাতে ভারসাম্যপূর্ণ করনীতি গড়ে তোলা গেলে সেবার মান উন্নত হওয়ার পাশাপাশি বাজারে প্রতিযোগিতাও বাড়বে।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© ২০২৬ ক্রাইম এডিশন, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

Theme Customized By BreakingNews