বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৫:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ফেরার পথে সারজিস আলমের গাড়িতে হামলার অভিযোগ উঠেছে খাবার দিতে দেরি, ভাবিকে হত্যা করে মাথা ঝুলানোর অভিযোগ পরকীয়ার অভিযোগে স্থানীয় জামায়াত নেতা মারধরের শিকার বাউফলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক, হবিগঞ্জে অবশেষে প্রত্যাহার হলো ১৪৪ ধারা আদেশ দিনভর বাধার পর রাতে হবিগঞ্জে এনসিপির অভিযোগ, ১১ জন আসামি দুই মামলায় হাইকোর্টের জামিন পেলেন ব্যারিস্টার সুমন এইচএসসি জীববিজ্ঞান পরীক্ষায় প্রশ্ন ভুলের অভিযোগ, বোর্ডের পর্যালোচনা শুরু ২০২৭ সালের রমজান ও ঈদ নিয়ে এলো নতুন সুখবর বিএনপিকে ঘিরে গুরুতর অভিযোগ তুললেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের অভিযোগ, আদালতে জামায়াত নেতা অভিযুক্ত

পরকীয়ার অভিযোগে স্থানীয় জামায়াত নেতা মারধরের শিকার বাউফলে

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক:

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় এক গৃহবধূর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগকে কেন্দ্র করে স্থানীয় জামায়াতের এক নেতাকে মারধরের ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, বুধবার (২৯ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার দাসপাড়া ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। আহত ব্যক্তি ফারুক হোসেন প্যাদা, যিনি ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বলে জানা গেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, এক গৃহবধূর সঙ্গে ফারুক হোসেনের অনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে—এমন অভিযোগের জেরে কয়েকজন তাকে আটক করে মারধর করেন। পরে ঘটনাটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। স্থানীয়দের সহায়তায় আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয় বলে জানা গেছে।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ফারুক হোসেন প্যাদা। তার দাবি, দীর্ঘদিনের ব্যক্তিগত বিরোধের জেরে স্থানীয় কয়েকজন পরিকল্পিতভাবে তার ওপর হামলা চালিয়েছেন। তিনি অভিযোগ করেন, হামলার সময় তার কাছে থাকা প্রায় ৫০ হাজার টাকা এবং একটি মোবাইল ফোনও নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
ফারুক হোসেন বলেন, তার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ ছড়ানো হচ্ছে সেগুলো ভিত্তিহীন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, পূর্বের বিরোধকে কেন্দ্র করেই তাকে মারধর করা হয়েছে এবং ঘটনাটিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা চলছে।
অন্যদিকে অভিযুক্ত গৃহবধূর শাশুড়ি অভিযোগ করেছেন, ফারুক হোসেন দীর্ঘদিন ধরে তার পুত্রবধূকে বিভিন্নভাবে বিরক্ত করতেন। তিনি আরও দাবি করেন, টাকা-পয়সার প্রলোভন দেখিয়ে কুপ্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে এর আগেও স্থানীয়ভাবে সালিশ হয়েছিল বলে তিনি জানান। এরপরও একই ধরনের আচরণ অব্যাহত ছিল বলেও তার অভিযোগ।
এ ঘটনায় এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, পুরো ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করা প্রয়োজন। অভিযোগগুলোর সত্যতা তদন্ত ছাড়া নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয় বলেও মত দিয়েছেন অনেকে।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, মারামারির খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে, ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং উভয় পক্ষের দাবির সত্যতা যাচাইয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তের দিকেই নজর রাখছেন স্থানীয়রা। তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা স্পষ্ট হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© ২০২৬ ক্রাইম এডিশন, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

Theme Customized By BreakingNews