বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ঢাকা মেডিক্যালে সংঘর্ষের পর ছয় নেতা পুলিশ হেফাজতে বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে শুধু পুরুষের শাস্তি, জানতে চাইলেন হাইকোর্ট সবার কথায় কান নয়, কাজে প্রমাণের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বার্তা দেশত্যাগের আগে কার সঙ্গে কথা বলেছিলেন হাসিনা ঢাকা কলেজে সংঘর্ষ: ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের পাল্টাপাল্টি অভিযোগে উত্তেজনা সারজিস আলমের মন্তব্যে ছাত্রদল নিয়ে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু এইচএসসির ব্যবহারিক পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষা বোর্ডের নতুন নির্দেশনা অভিজ্ঞতা ছাড়াই ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে আবেদন করার সুযোগ ৫ আগস্ট উপলক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জরুরি কর্মসূচি পালনের নির্দেশনা জারি সম্পত্তি দানেও আজীবন অধিকার রাখবেন বাবা-মা

বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে শুধু পুরুষের শাস্তি, জানতে চাইলেন হাইকোর্ট

  • প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬

ক্রাইম এডিশন, ডেস্ক রিপোর্ট:

বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে শারীরিক সম্পর্কের ঘটনায় শুধুমাত্র পুরুষকে শাস্তির আওতায় আনার বিধান নিয়ে নতুন করে আইনি প্রশ্ন উঠেছে বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের কাছে ব্যাখ্যা চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে প্রাপ্তবয়স্কদের পারস্পরিক সম্মতিতে গড়ে ওঠা সম্পর্ককে ‘বিয়ের মিথ্যা প্রতিশ্রুতি’র ভিত্তিতে ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে বিবেচনার বিধান সংবিধানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না, সে বিষয়েও আদালত জানতে চেয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
আইনজীবী সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি সংশোধিত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইন, ২০২৬-এ যুক্ত হওয়া একটি ধারা নিয়ে আদালতে রিট আবেদন করা হয়। ওই আবেদনে দাবি করা হয়, সংশ্লিষ্ট বিধানটি অস্পষ্ট, বৈষম্যমূলক এবং সংবিধানে স্বীকৃত মৌলিক অধিকারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে। এর পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি হাবিবুল গনির নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ রুল জারি করেছেন বলে জানা গেছে।
সংশ্লিষ্ট আইনে বলা হয়েছে, দৈহিক বলপ্রয়োগ ছাড়া বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ১৬ বছরের বেশি বয়সী কোনো নারীর সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন এবং তাদের মধ্যে আস্থাভাজন সম্পর্ক বিদ্যমান থাকলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া যেতে পারে।
রিট আবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে, প্রাপ্তবয়স্ক দুই ব্যক্তির পারস্পরিক সম্মতিতে গড়ে ওঠা ব্যক্তিগত সম্পর্ককে পরবর্তীতে ‘মিথ্যা বিয়ের প্রতিশ্রুতি’র অভিযোগে ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য করার বিধান আইনের দৃষ্টিতে স্পষ্ট নয়। একই সঙ্গে এতে বৈষম্যের প্রশ্নও রয়েছে, কারণ সংশ্লিষ্ট ধারায় শুধু পুরুষের শাস্তির বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।
রিটকারীর আইনজীবী ইশরাত হাসান গণমাধ্যমকে বলেন, অতীতে এ ধরনের অভিযোগ অনেক ক্ষেত্রে ধর্ষণের মামলা হিসেবে দায়ের করা হতো। তবে আইন পরিবর্তনের পর নতুন সংশোধনীতে যুক্ত হওয়া বিধানের সাংবিধানিক বৈধতা নিয়েই আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। তার দাবি, আদালত এখন জানতে চেয়েছেন কেন এই বিধানকে অসাংবিধানিক বা বাতিল ঘোষণা করা হবে না।
জানা গেছে, এর আগেও একই বিষয়ে একটি রিটের পর আদালত রুল জারি করেছিলেন। সর্বশেষ সম্পূরক রুলের মাধ্যমে সংশোধিত আইনটির সাংবিধানিক বৈধতা আরও স্পষ্টভাবে পর্যালোচনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এখন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আদালতের রুলের জবাব দিতে হবে। পরে সেই জবাবের ভিত্তিতে আদালত পরবর্তী শুনানি ও প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

শুক্র শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০৩১  

© ২০২৬ ক্রাইম এডিশন, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

Theme Customized By BreakingNews