
ক্রাইম এডিশন, ডেস্ক রিপোর্ট:
রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ থেকে রংপুরের উদ্দেশে ১১ দলীয় ঐক্যের লং মার্চ শুরু হয়েছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টার দিকে কর্মসূচিটির উদ্বোধন করা হয়।
গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সার সংকট মোকাবিলা, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণসহ বিভিন্ন দাবিতে এই লং মার্চের আয়োজন করা হয়েছে। একই সঙ্গে দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারি বন্ধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, দলীয়করণ বন্ধ এবং তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবিও কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত রয়েছে।
লং মার্চের আগে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে উদ্বোধনী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম, এলডিপির চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক এবং জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
এ ছাড়া বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির আমির মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম ছোবহানী, আমার বাংলাদেশ পার্টির সভাপতি মুজিবুর রহমান মঞ্জু, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির সহসভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল ইসলাম চান এবং বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মহাসচিব মুফতি ফখরুল ইসলামসহ জোটভুক্ত দলগুলোর নেতারা সমাবেশে অংশ নেন।
আয়োজকদের ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, ঢাকার পর লং মার্চটি রংপুরের দিকে অগ্রসর হবে। কর্মসূচিকে ঘিরে বিভিন্ন দল ও সংগঠনের নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণের কথা জানানো হয়েছে।
লং মার্চের দাবিগুলোর মধ্যে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণ এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও কৃষি উপকরণের সংকট নিরসনের বিষয়গুলোও রয়েছে। পাশাপাশি তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবি উত্তরাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের আলোচিত দাবিগুলোর সঙ্গে সম্পর্কিত।
তবে কর্মসূচির পরবর্তী ধাপ, অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা এবং বিভিন্ন স্থানে কর্মসূচির পরিস্থিতি সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হতে পারে। এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের পরবর্তী ঘোষণা বা মাঠপর্যায়ের তথ্যের ভিত্তিতেই বিস্তারিত জানা যাবে।




