Eng
জাতীয়, ঢাকা, লিড নিউজ

জাসদ কার্যালয়ে ৪০০ নেতাকর্মী থাকার দাবি নয়নের

প্রকাশিত: , ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ৮:৫২ অপরাহ্ণ




ক্রাইম এডিশন অনলাইন:

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনুর দলের এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের প্রায় ৪০০ নেতাকর্মী একটি কার্যালয়ে অবস্থান করছিলেন বলে দাবি করেছেন জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম নয়ন।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ দাবি করেন।
নয়ন বলেন, ওই কার্যালয়ে ইনুর দল এবং আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের অবস্থানের খবর পাওয়ার পর বিষয়টি প্রশাসনকে জানানো হয়। পরে প্রশাসনের সদস্যরা সেখানে এলে তাদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু হয়। প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে সুশৃঙ্খলভাবে তাদের সেখান থেকে নিয়ে যেতে সহযোগিতা করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
কার্যালয়টিতে কারা অবস্থান করছিলেন—এমন প্রশ্নের জবাবে নয়ন বলেন, সেখানে জাসদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পাশাপাশি আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরাও ছিলেন বলে তিনি জানতে পেরেছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের পরিচয় যাচাই বা শনাক্ত করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
নয়ন আরও বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কঠোর নির্দেশনা ছিল। তার ভাষ্য অনুযায়ী, কাউকে মব করে আইন নিজের হাতে তুলে না নেওয়ার বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। এ কারণে বড় ধরনের কোনো দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ঘটনাস্থলে আরেকটি দল জড়ো হয়ে এনসিপি ও জামায়াত-শিবিরের লোকজনকে ছাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল। পরে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ধাওয়ার মুখে তারা সেখান থেকে চলে যায় বলেও দাবি করেন নয়ন।
এদিকে, কার্যালয়ে অবস্থান করা ব্যক্তিদের প্রকৃত সংখ্যা এবং তাদের রাজনৈতিক পরিচয় সম্পর্কে নয়নের বক্তব্যের বাইরে স্বাধীনভাবে বিস্তারিত কোনো তথ্য এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি। ফলে প্রায় ৪০০ জনের উপস্থিতির বিষয়টি তার দেওয়া বক্তব্য হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে কার্যালয়টির সামনে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল বলে সংশ্লিষ্ট বক্তব্যে উঠে এসেছে। পরে প্রশাসনের উপস্থিতিতে সেখানে থাকা ব্যক্তিদের পরিচয় যাচাই করে সরিয়ে নেওয়ার কার্যক্রম চালানো হয়।
ঘটনার সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে রাজনৈতিক কর্মীদের আইন নিজের হাতে না নেওয়ার আহ্বানও দেওয়া হয়। পুরো ঘটনায় সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পক্ষের বক্তব্য ও প্রশাসনিক কার্যক্রমের বিস্তারিত তথ্য সামনে এলে পরিস্থিতি সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যেতে পারে।