Skip to content
-
Subscribe to our newsletter & never miss our best posts. Subscribe Now!
  • https://www.facebook.com/
  • https://twitter.com/
  • https://t.me/
  • https://www.instagram.com/
  • https://youtube.com/
ক্রাইম এডিশন

অপরাধের মুখোশ খুলে দেয়

ক্রাইম এডিশন

অপরাধের মুখোশ খুলে দেয়

  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • সারা দেশ
    • ঢাকা
    • চট্টগ্রাম
    • খুলনা
    • বরিশাল
    • রাজশাহী
    • রংপুর
    • সিলেট
    • ময়মনসিংহ
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • বিনোদন
  • জীবনযাপন
    • ফিচার
    • খাদ্য ও পুষ্টি
    • সম্পর্ক
  • আইন-আদালত
  • আরো
    • ইসলামিক
    • ধর্ম
    • খেলাধুলা
    • শিল্প-সাহিত্য
    • পড়ালেখা
    • সম্পাদকীয়
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • সারা দেশ
    • ঢাকা
    • চট্টগ্রাম
    • খুলনা
    • বরিশাল
    • রাজশাহী
    • রংপুর
    • সিলেট
    • ময়মনসিংহ
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • বিনোদন
  • জীবনযাপন
    • ফিচার
    • খাদ্য ও পুষ্টি
    • সম্পর্ক
  • আইন-আদালত
  • আরো
    • ইসলামিক
    • ধর্ম
    • খেলাধুলা
    • শিল্প-সাহিত্য
    • পড়ালেখা
    • সম্পাদকীয়
Subscribe
Close

Search

অপরাধচাঁপাইনবাবগঞ্জলিড নিউজ

মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি, ইউএনও কামালের বিরুদ্ধে ডিএনএ পরীক্ষার সিদ্ধান্ত

By Crime Edition
নভেম্বর ৪, ২০২৫ 2 Min Read
০

ক্রাইম এডিশন, অনলাইন ডেস্ক:

 

চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. কামাল হোসেনের বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধা পরিচয়ে জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) অভিযোগ পেয়েছে যে, তিনি নিজের প্রকৃত পিতার নাম গোপন রেখে মুক্তিযোদ্ধা চাচাকে ‘পিতা’ হিসেবে দেখিয়ে কোটা সুবিধায় বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারে চাকরি নিয়েছেন।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, ইউএনও কামাল হোসেনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার তদন্তে এমন অভিযোগের প্রমাণ মেলে। বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করতে সংস্থাটি এবার ডিএনএ পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

মঙ্গলবার ৪ নভেম্বর ২০২৫ ইং দুদকের মহাপরিচালক আক্তার হোসেন এক গণমাধ্যমকে বলেন, “মা-বাবার পরিচয় যাচাইয়ের জন্য কামাল হোসেনের ডিএনএ টেস্টের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, তিনি মুক্তিযোদ্ধা চাচাকে পিতা পরিচয়ে দেখিয়ে প্রতারণা করে সরকারি চাকরিতে যোগ দিয়েছেন।”

জানা যায়, মো. কামাল হোসেন ৩৫তম বিসিএস পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সময় মুক্তিযোদ্ধা কোটার সুবিধা পেতে নিজের জন্মদাতা পিতা-মাতা মো. আবুল কাশেম ও মোছা. হাবীয়া খাতুনের নাম পরিবর্তন করে চাচা বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আহসান হাবীব ও চাচি মোছা. সানোয়ারা খাতুনের নাম ব্যবহার করেন।

এভাবে ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে তিনি শুধু বিসিএস পরীক্ষাতেই নয়, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি ও অন্যান্য সরকারি সুবিধাও গ্রহণ করেছেন বলে তদন্তে উঠে এসেছে।

দুদকের এক কর্মকর্তা জানান, “কামাল হোসেনের বিরুদ্ধে একাধিক তদন্ত চলছে। মুক্তিযোদ্ধা কোটার সুযোগ নিয়ে প্রশাসন ক্যাডারে প্রবেশ ছাড়াও, ভুয়া সনদ ব্যবহার করে বিভিন্ন সুবিধা নেওয়ার প্রমাণ মিলেছে।”

এর আগে ২০২৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর তার বিরুদ্ধে প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগে মামলা করা হয়। মামলায় বলা হয়, কামাল হোসেন সরকারি চাকরির আবেদনপত্রে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় সুবিধা নিতে জাল কাগজপত্র সংযুক্ত করেন এবং সরকারি পদে নিয়োগ পান।

বর্তমানে তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হিসেবে কর্মরত আছেন। এর আগে তিনি মাগুরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সিনিয়র সহকারী কমিশনার এবং নওগাঁ জেলার আত্রাই উপজেলার ইউএনও পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।

স্থানীয় প্রশাসন ও সচেতন নাগরিকদের মতে, সরকারি পদে থাকা কোনো কর্মকর্তার এমন প্রতারণা রাষ্ট্রের জন্য গুরুতর দৃষ্টান্ত। মুক্তিযোদ্ধা কোটা মূলত যুদ্ধাহত বীরদের ও তাদের সন্তানদের প্রতি রাষ্ট্রের কৃতজ্ঞতার প্রতীক। কেউ যদি ভুয়া তথ্য দিয়ে সেই সুযোগ নেয়, তা শুধু আইন ভঙ্গ নয়, নৈতিকতারও বড় লঙ্ঘন।

দুদক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ডিএনএ পরীক্ষার ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। যদি প্রমাণ হয় যে তিনি প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার সন্তান নন, তবে সরকারি চাকরি হারানোর পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

মুক্তিযোদ্ধা কোটা সংক্রান্ত এ ধরনের জালিয়াতির ঘটনা রোধে দুদক ইতোমধ্যে বেশ কিছু মামলার তদন্ত শুরু করেছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, সরকারি চাকরিতে প্রবেশে কেউ যদি ভুয়া তথ্য ব্যবহার করে থাকে, তাকে ছাড় দেওয়া হবে না।

বাংলাদেশের প্রশাসন কাঠামোতে এ ধরনের ঘটনা অনেকের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে যেসব মুক্তিযোদ্ধা পরিবার প্রকৃত যোগ্য হয়েও সুবিধা পাননি, তাদের মধ্যে বিষয়টি গভীর ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে।

দুদকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মামলার তদন্ত দ্রুত শেষ করে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে। সত্য উদঘাটনে প্রয়োজনীয় সব বৈজ্ঞানিক প্রমাণ সংগ্রহ করা হচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

  • Share on WhatsApp (Opens in new window) WhatsApp
  • Share on Telegram (Opens in new window) Telegram
  • Post
  • Email a link to a friend (Opens in new window) Email
  • Print (Opens in new window) Print
  • More
  • Share on Bluesky (Opens in new window) Bluesky

Tags:

ইউএনও কামাল হোসেনডিএনএ টেস্টদুদকবিসিএস প্রশাসনভুয়া পরিচয়মুক্তিযোদ্ধা কোটা
Author

Crime Edition

Follow Me
Other Articles
Previous

টাঙ্গাইলে পিতার ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল তিন বছরের শিশুর

Next

গাজীপুরে গজারি গাছ কাটার ভিডিও করতে গিয়ে সাংবাদিকদের ওপর হামলা

No Comment! Be the first one.

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

স্বত্ব © ২০২৬ | ক্রাইম এডিশন