1. info@crimeedition.com : Crime Edition : Crime Edition
  2. masud399340@gmail.com : ক্রাইম এডিশন : ক্রাইম এডিশন
শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ০৫:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জামায়াত আমিরের অবস্থান: বিদেশি চুক্তি নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি উত্তরায় গ্যাস লিকেজে বিস্ফোরণ, একই পরিবারের ১০ জন দগ্ধ লালমনিরহাটের কালীগঞ্জে ৫০০ বছরের ঐতিহ্য এক কাতার মসজিদ মির্জা আব্বাসকে নিয়ে মন্তব্য বিতর্ক, দুঃখ প্রকাশ করলেন হাসনাত আবদুল্লাহ ভিভিআইপি মর্যাদা পেলেন ড. ইউনূস, মিলবে বিশেষ নিরাপত্তা সুবিধা আমেরিকায় বাড়ি কেনার অভিযোগে মুখ খুললেন আসিফ নজরুল মৃত্যুর দুয়ার পেরিয়ে উন্নয়ন বার্তা দিলেন এনসিপি নেত্রী ব্যাংক হিসাব তলব ইস্যুতে মধ্যরাতে আসিফ মাহমুদের ফেসবুক পোস্ট রংপুরে নারী উদ্যোক্তাদের নিয়ে নিউট্রিশাস এগ্রিফিউচারের প্রশিক্ষণ তারেক রহমান যোগ্য প্রধানমন্ত্রী—শাহজাহান চৌধুরীর মন্তব্য

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জে ৫০০ বছরের ঐতিহ্য এক কাতার মসজিদ

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ মার্চ, ২০২৬

লালমনিরহাট জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার গোড়ল ইউনিয়নের হাজীপাড়া গ্রামে অবস্থিত ঐতিহাসিক ‘এক কাতার মসজিদ’ দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় ইতিহাস ও স্থাপত্য ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন হিসেবে পরিচিত। স্থানীয়দের দাবি, প্রায় পাঁচ শতাব্দী আগে নির্মিত এই প্রাচীন মসজিদটি মুঘল আমলের স্থাপত্যশৈলীর একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ।

স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, মসজিদটি তিন গম্বুজবিশিষ্ট ছোট আকৃতির একটি স্থাপনা। এর ভেতরের স্থান তুলনামূলকভাবে সংকীর্ণ হওয়ায় এখানে একসঙ্গে মাত্র ১২ থেকে ১৪ জন মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারেন। এ কারণেই মসজিদটি স্থানীয়ভাবে ‘এক কাতার মসজিদ’ নামে পরিচিতি লাভ করেছে বলে এলাকাবাসী জানান।

জানা যায়, মসজিদটির নির্মাণে ব্যবহৃত হয়েছে ইট, চুন-সুরকি এবং ঐতিহ্যবাহী নির্মাণ উপকরণ। অনেকের মতে, পুরনো কৌশলে তৈরি হওয়ায় মসজিদটির দেয়াল ও গঠন দীর্ঘ সময় ধরে টিকে আছে। যদিও এর নির্মাণকাল সম্পর্কে নির্দিষ্ট কোনো লিখিত দলিল পাওয়া যায়নি, তবে স্থাপত্যশৈলী দেখে গবেষক ও স্থানীয় ইতিহাস–আগ্রহীদের ধারণা এটি মুঘল আমলের সময় নির্মিত।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, মসজিদের সামনে একটি ছোট কবরও রয়েছে। অনেকেই ধারণা করেন, এটি সম্ভবত মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা বা কোনো ধর্মপ্রাণ ব্যক্তির কবর হতে পারে। তবে এ বিষয়ে নির্ভরযোগ্য কোনো ঐতিহাসিক তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

এলাকাবাসীর দাবি, বহু বছর ধরে মসজিদটি ধর্মীয় কার্যক্রমের পাশাপাশি স্থানীয় ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে। প্রতিদিনই আশপাশের মানুষ এখানে নামাজ আদায় করতে আসেন। বিশেষ করে জুমার দিন ও ধর্মীয় উৎসবের সময় দূর-দূরান্ত থেকে অনেক মানুষ এই ঐতিহাসিক স্থাপনাটি দেখতে আসেন বলে জানা গেছে।

তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, এত গুরুত্বপূর্ণ একটি ঐতিহাসিক নিদর্শন হওয়া সত্ত্বেও মসজিদটির যথাযথ সংরক্ষণ ও সংস্কারের উদ্যোগ খুব একটা চোখে পড়ে না। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এর কিছু অংশে ক্ষয়ের চিহ্নও দেখা যাচ্ছে বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন। তারা মনে করেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যদি যথাযথ উদ্যোগ নেয়, তাহলে এই প্রাচীন মসজিদটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে।

এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় গুরুত্ব বিবেচনায় মসজিদটিকে প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন হিসেবে সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। এতে একদিকে যেমন দেশের ঐতিহ্য রক্ষা পাবে, অন্যদিকে এটি স্থানীয় পর্যটনের ক্ষেত্রেও ভূমিকা রাখতে পারে বলে তারা মনে করেন।

স্থানীয়দের মতে, শত শত বছর ধরে টিকে থাকা এই ‘এক কাতার মসজিদ’ শুধু ইবাদতের স্থানই নয়, বরং এলাকার ইতিহাস, সংস্কৃতি ও স্থাপত্য ঐতিহ্যের নীরব সাক্ষী হয়ে আজও দাঁড়িয়ে আছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি সোম
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  

© ২০২৫-২০২৬, ক্রাইম এডিশন, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই সাইটের সমস্ত লেখা, ছবি ও কনটেন্ট কপিরাইট আইনের আওতায়। অনুমতি ছাড়া কপি, ব্যবহার বা পুনঃপ্রকাশ নিষিদ্ধ। স্বত্বাধিকার দাবি থাকলে অনুগ্রহ করে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। যথাযথ যাচাই-বাছাই ও প্রমাণ সাপেক্ষে প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কনটেন্ট অপসারণ করা হবে।

Theme Customized BY LatestNews