বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০২:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
এমপি নজরুলের ভাইরাল ভিডিও এআই নয়, জানাল রিউমর স্ক্যানার লালমনিরহাটে সরকারি অর্থ ব্যয়ের অভিযোগে ব্যাখ্যা দিলেন এমপি রোকন উদ্দিন বাবুল জামায়াত এমপির দ্বিতীয় বিয়ে বিতর্কে নতুন ভিডিও বার্তা চিকিৎসা নিশ্চিতের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জুলকারনাইন সায়েরের পোস্টে আলোচিত জামায়াতের চিঠি, বাড়ছে প্রশ্ন ভেনেজুয়েলার ভূমিকম্পে মৃ/তের সংখ্যা ছাড়াল পাঁচ হাজার বিচারাধীন মামলা কমানোর নতুন পরিকল্পনা জানাল আইন মন্ত্রণালয় সরকারি হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র সচিব সিয়ামের দিল্লি হাইকমিশনার নিয়োগে জোর আলোচনা চলছে উন্নয়ন অধিকার নাকি দয়া, প্রশ্ন তুললেন ডা. মাহমুদা মিতু

তারেক রহমানের বক্তব্যে ভাসানী-জিয়া প্রসঙ্গ, ডাঃ মিতুর প্রতিক্রিয়ায় বিতর্ক তুঙ্গে

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে বলে জানা গেছে। অভিযোগ উঠেছে, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এক বক্তব্যে দাবি করেছেন যে, মাওলানা ভাসানী নাকি জিয়াউর রহমানের হাতে ধানের শীষ প্রতীক তুলে দিয়েছিলেন।

এ বক্তব্য প্রকাশের পর বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী, মাওলানা ভাসানী ১৯৭৬ সালে ইন্তেকাল করেন। অন্যদিকে, বিএনপি প্রতিষ্ঠা এবং জিয়াউর রহমানের ক্ষমতায় আসার সময়কাল তার মৃত্যুর পরবর্তী সময়ে ঘটে বলে জানা গেছে। ফলে এই সময়গত অসামঞ্জস্য নিয়েই সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।

এই প্রেক্ষাপটে এনসিপির নেত্রী ডা. মাহমুদা মিতু তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। সেখানে তিনি তারেক রহমানের বক্তব্যের সমালোচনা করে প্রশ্ন তুলেছেন—একজন মৃত ব্যক্তির পক্ষে পরবর্তী সময়ের কোনো রাজনৈতিক ঘটনার সঙ্গে যুক্ত থাকা কীভাবে সম্ভব।

তার পোস্টে তিনি ঐতিহাসিক তথ্যের সঙ্গে উক্ত বক্তব্যের অসঙ্গতি তুলে ধরেন এবং বিষয়টিকে বিভ্রান্তিকর বলে উল্লেখ করেছেন বলে জানা গেছে। তার এই মন্তব্যের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আলোচনা ও বিতর্ক তীব্র হয়েছে।

এদিকে, সংশ্লিষ্ট বক্তব্যের বিষয়ে এখনো পর্যন্ত তারেক রহমান বা সংশ্লিষ্ট কোনো পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। ফলে বিষয়টি নিয়ে জনমনে কৌতূহল ও প্রশ্ন আরও বেড়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ইতিহাসভিত্তিক যেকোনো বক্তব্য দেওয়ার আগে তা যাচাই করা জরুরি। অন্যথায় এমন বক্তব্য জনসাধারণের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে এবং অপ্রয়োজনীয় বিতর্কের জন্ম দিতে পারে।

উল্লেখ্য, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের বক্তব্য প্রায়ই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসে। এই ঘটনাও তার ব্যতিক্রম নয়। বিষয়টি নিয়ে এখনো বিভিন্ন মহলে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© ২০২৬ ক্রাইম এডিশন, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

Theme Customized By BreakingNews