
ক্রাইম এডিশন অনলাইন:
নীলফামারী থেকে আসা আরেক পরীক্ষার্থীও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাঁর প্রশ্ন, পরীক্ষা দিতে ঢাকায় আসার জন্য যে অর্থ ব্যয় হয়েছে, তার দায় কে নেবে? তাঁর বক্তব্যে দূরবর্তী অঞ্চল থেকে আসা চাকরিপ্রার্থীদের ভোগান্তির বিষয়টি উঠে আসে।
এদিকে শাহবাগের পাশাপাশি রাজধানীর মিরপুরে সরকারি বাঙলা কলেজের সামনেও পরীক্ষার্থীদের অবস্থান নেওয়ার খবর পাওয়া যায়। এতে পরীক্ষা স্থগিতের প্রতিবাদ একাধিক এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।
পরীক্ষা স্থগিতের বিষয়ে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন-৫) মাজহারুল হক জানিয়েছেন, আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে স্থগিত পরীক্ষার নতুন তারিখ ঘোষণা করা হবে। তবে আন্দোলনকারীরা শাহবাগ ছাড়বেন কি না, সে বিষয়ে প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাননি। নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে পরবর্তী কর্মসূচি নির্ধারণের কথা জানিয়েছেন তারা।
প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে তদন্তের ফল এবং নতুন পরীক্ষার তারিখের অপেক্ষায় রয়েছেন চাকরিপ্রার্থীরা। তাদের দাবি, নিয়োগ পরীক্ষায় স্বচ্ছতা, নিরাপত্তা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে, যাতে মেধার ভিত্তিতে যোগ্য প্রার্থীরা প্রতিযোগিতার সুযোগ পান এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিশ্চয়তা কমানো সম্ভব হয়।




