Eng
জাতীয়, ঢাকা, লিড নিউজ

মিরপুরে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষে বন্ধ মেট্রোরেল স্টেশন

প্রকাশিত: , ৩ নভেম্বর ২০২৬ | ১১:২৪ অপরাহ্ণ




ক্রাইম এডিশন অনলাইন:

রাজধানীর মিরপুরে পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে শ্রমিক ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষ এবং ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ পরিস্থিতিতে যাত্রীদের নিরাপত্তা বিবেচনায় সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে মিরপুর-১১ নম্বর মেট্রোরেল স্টেশন। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকাল থেকে এ ঘটনাকে ঘিরে ওই এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে মিরপুরে সড়কে নেমে বিক্ষোভ শুরু করেন পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা। আন্দোলন চলাকালে একপর্যায়ে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের মুখোমুখি অবস্থান তৈরি হয়। পরে দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে বলে প্রকাশিত খবরে জানানো হয়েছে।
এ ঘটনায় মিরপুর-১১ নম্বর এলাকার পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে চলমান আন্দোলন মঙ্গলবার চতুর্থ দিনে গড়িয়েছে। তবে সংঘর্ষে হতাহতের সংখ্যা, আহত ব্যক্তিদের পরিচয় কিংবা ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

এদিকে সংঘর্ষের পরিস্থিতিতে মিরপুর-১১ নম্বর মেট্রোরেল স্টেশনের কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে এমআরটি পুলিশের কন্ট্রোল রুমের বরাতে জানানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আপাতত মিরপুর-১১ নম্বর স্টেশনে কোনো মেট্রোরেল ট্রেন থামছে না। একই সঙ্গে ওই স্টেশনে যাত্রী ওঠানামাও বন্ধ রয়েছে। ফলে স্টেশনটি ব্যবহার করে যাতায়াতের পরিকল্পনা করা যাত্রীদের বিকল্প স্টেশন ব্যবহারের প্রয়োজন হতে পারে।
তবে মেট্রোরেলের অন্যান্য স্টেশনে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট কন্ট্রোল রুম থেকে জানানো হয়েছে। অর্থাৎ সাময়িক এই সিদ্ধান্তের প্রভাব আপাতত মিরপুর-১১ নম্বর স্টেশনকেন্দ্রিক।
পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে স্টেশনটির কার্যক্রম আবার চালু করা হবে বলে জানানো হয়েছে। তবে ঠিক কখন স্টেশনটি খুলে দেওয়া হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট সময় উল্লেখ করা হয়নি।
শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির দাবি এবং চলমান আন্দোলনের মধ্যে মিরপুরে সংঘর্ষের ঘটনায় জনসাধারণের চলাচল ও গণপরিবহন ব্যবস্থায় সাময়িক বিঘ্ন তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে মেট্রোরেলের নিয়মিত যাত্রীদের যাত্রার আগে স্টেশনের সর্বশেষ অবস্থা জেনে নেওয়া প্রয়োজন।