Eng
কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, জাতীয়, রাজনীতি, লিড নিউজ

জসিম উদ্দিনের সদস্য পদ স্থগিত করল গণঅধিকার পরিষদ

প্রকাশিত: , ৬ অক্টোবর ২০২৬ | ১০:৪৭ অপরাহ্ণ




ক্রাইম এডিশন অনলাইন:

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী ও দলটির কুমিল্লা জেলা শাখার সাবেক ত্রাণ ও দুর্যোগবিষয়ক সম্পাদক মো. আ. জসিম উদ্দিনের সদস্য পদ স্থগিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে কেন স্থায়ী সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দলের দপ্তর সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার সৈয়দ মাহবুবুর রহমানের স্বাক্ষর করা নোটিশে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
নোটিশে বলা হয়েছে, জসিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে গুরুতর সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল হক নূর ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুনের নির্দেশে তার সদস্য পদ সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।
একই নোটিশে জসিম উদ্দিনকে অভিযোগের বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে দলের কেন্দ্রীয় দপ্তরে তার বক্তব্য জমা দিতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জবাব না দিলে কিংবা দেওয়া ব্যাখ্যা কর্তৃপক্ষের কাছে সন্তোষজনক না হলে তার বিরুদ্ধে আরও সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলেও জানানো হয়েছে।
তবে নোটিশে উত্থাপিত অভিযোগের বিস্তারিত বিষয়বস্তু প্রকাশ করা হয়নি। ফলে অভিযোগগুলোর প্রকৃতি ও সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে এ পর্যায়ে বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি। একইভাবে, জসিম উদ্দিনের পক্ষ থেকে নোটিশের বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেওয়ার তথ্যও পাওয়া যায়নি।
কুমিল্লা-৪ আসনে জসিম উদ্দিন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নির্বাচনে তিনি ট্রাক প্রতীকে ৪৯ হাজার ৮৮৫ ভোট পান। ওই আসনে ১ লাখ ৬৬ হাজার ৫৮৩ ভোট পেয়ে জয়ী হন হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি এনসিপির দলীয় প্রতীক শাপলা কলি নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের সমর্থনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।
নির্বাচনের পর দলের গুরুত্বপূর্ণ এক নেতার সদস্য পদ স্থগিত এবং কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়ার ঘটনায় বিষয়টি রাজনৈতিক ও সাংগঠনিকভাবে আলোচনায় এসেছে। তবে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে জসিম উদ্দিনের লিখিত ব্যাখ্যা এবং দলীয় কর্তৃপক্ষের পরবর্তী পদক্ষেপের ওপর।
দলের নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তার বক্তব্য পাওয়ার পর অভিযোগগুলো নিয়ে পরবর্তী সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। বর্তমানে তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো অভিযোগ হিসেবেই রয়েছে; নোটিশের ভিত্তিতে সেগুলো চূড়ান্তভাবে প্রমাণিত হয়েছে—এমন কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।