
ক্রাইম এডিশন অনলাইন:
চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় যাত্রীবাহী বাস ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন। বুধবার (৭ অক্টোবর) রাতে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের নয়াখাল পাঠানী পুলের দক্ষিণ পাশে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন মো. রিয়াদ (২০) ও রিগেন চক্রবর্তী (৩৫)। আহত ব্যক্তির নাম প্রণয় কর্মকার (২১)। নিহত ও আহত তিনজনই দুর্ঘটনার সময় অটোরিকশাটিতে যাত্রী হিসেবে ছিলেন বলে পুলিশ ও স্থানীয়দের ভাষ্য।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানা যায়, কক্সবাজারের দিকে যাচ্ছিল একটি যাত্রীবাহী বাস। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা সিএনজিচালিত অটোরিকশাটির সঙ্গে বাসটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের পর অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই দুই যাত্রীর মৃত্যু হয়।
দুর্ঘটনায় প্রণয় কর্মকার গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠান। তার শারীরিক অবস্থার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে দোহাজারী হাইওয়ে থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পুলিশ দুর্ঘটনাকবলিত বাস ও অটোরিকশা উদ্ধার করে থানার হেফাজতে নিয়েছে। নিহতদের মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর পরবর্তী আইনি কার্যক্রমের জন্য সংরক্ষণ করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। কী কারণে বাস ও অটোরিকশাটির মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
মহাসড়কের ওই অংশে রাতের বেলায় যান চলাচলের সময় এমন দুর্ঘটনা ঘটায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তবে দুর্ঘটনার জন্য কোনো নির্দিষ্ট পক্ষের দায় রয়েছে কি না, সে বিষয়ে তদন্ত বা আইনগত প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার আগে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না।
সড়কে যানবাহন চলাচলের সময় গতি নিয়ন্ত্রণ, বিপরীত দিক থেকে আসা যানবাহনের বিষয়ে সতর্কতা এবং ট্রাফিক আইন মেনে চলার ওপর দুর্ঘটনা এড়ানোর বিষয়টি অনেকাংশে নির্ভর করে। সাতকানিয়ার এ দুর্ঘটনাতেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দুর্ঘটনার কারণ ও দায় নির্ধারণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে।




