
ক্রাইম এডিশন, ডেস্ক রিপোর্ট:
বিষয়টি গোপন রাখার কারণ জানতে চাইলে নাফিউল ইসলাম জানান, তার রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার বিষয়টি জড়িয়ে থাকায় তিনি বিষয়টি আড়ালে রাখতে চেয়েছিলেন। একই সঙ্গে তিনি স্বীকার করেন, অন্য একজন তার পরিবর্তে চাকরির দায়িত্ব পালন করায় ব্যবস্থাটিকে পুরোপুরি বৈধ বলা যায় না।
এ বিষয়ে বাঘা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. তকী ফয়সাল তালুকদার জানিয়েছেন, বিষয়টি সম্পর্কে তিনি অবগত হয়েছেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এভাবে বিকল্প ব্যক্তিকে দিয়ে শিক্ষকতার দায়িত্ব পালন করানোর নিয়ম নেই। বিষয়টি খতিয়ে দেখে তদন্তের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।
ঘটনাটি সামনে আসার পর মাদরাসার শিক্ষক নিয়োগ, নিয়মিত পাঠদান এবং দায়িত্ব পালনের বিষয়গুলো নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত তদন্তের ফলাফল বা কোনো প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত ও পরবর্তী পদক্ষেপের অপেক্ষা করতে হবে।




