মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ০৪:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ভেনেজুয়েলার ভূমিকম্পে মৃ/তের সংখ্যা ছাড়াল পাঁচ হাজার বিচারাধীন মামলা কমানোর নতুন পরিকল্পনা জানাল আইন মন্ত্রণালয় সরকারি হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র সচিব সিয়ামের দিল্লি হাইকমিশনার নিয়োগে জোর আলোচনা চলছে উন্নয়ন অধিকার নাকি দয়া, প্রশ্ন তুললেন ডা. মাহমুদা মিতু মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের স্বীকৃতি দাবিতে নতুন বক্তব্য দিলেন নাহিদ ইসলাম সংবিধান ও গণভোট প্রসঙ্গে বক্তব্য দিলেন সারজিস আলম অটোপাস নয়, শিক্ষার্থীদের দাবি নিয়ে যা বললেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্কতায় বিজিবি, দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নতুন নির্দেশ আগামী ৪৮ ঘণ্টায় উত্তরাঞ্চলের পাঁচ জেলায় বন্যার শঙ্কা

শিশু হ/ত্যার অভিযোগে সবজি বিক্রেতার মৃ/ত্যুদ/ণ্ড ঘোষণা

  • প্রকাশিত: সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক:

চট্টগ্রামে প্রায় তিন বছর আগে আলোচিত এক শিশু হত্যা মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করেছেন আদালত। আদালত সূত্রে জানা গেছে, ১০ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে ব্যর্থ হওয়ার পর হত্যা এবং পরে মরদেহ গুমের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় একমাত্র আসামির বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তির আদেশ দেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, বুধবার (২০ জুলাই) চট্টগ্রামের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এই মামলার রায় ঘোষণা করেন। বিচারক সাইফুর রহমানের আদালত অভিযুক্ত মো. রুবেলকে মৃত্যুদণ্ড দেন বলে আদালত-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি পেশায় সবজি বিক্রেতা ছিলেন বলে জানা গেছে।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, ঘটনাটি ২০২৩ সালের ২১ মার্চের। অভিযোগ রয়েছে, প্রতিবেশী ওই ব্যক্তি বিড়ালছানা দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ১০ বছর বয়সী শিশু আবিদা সুলতানা আয়নীকে একটি নির্জন বাসায় নিয়ে যান। সেখানে শিশুটিকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। পরে ওই চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে বলেও মামলার নথিতে উল্লেখ রয়েছে।
ঘটনার পর বিষয়টি আড়াল করতে শিশুটির মরদেহ পাহাড়তলী এলাকার সাগরিকা এলাকার একটি ডোবায় ফেলে দেওয়া হয়েছিল বলে তদন্তে উঠে এসেছে। পরে ঘটনাস্থল থেকে শিশুটির ব্যবহৃত কিছু পোশাক ও অন্যান্য আলামত উদ্ধার করা হয় বলে তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তারের পর অভিযুক্ত আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে বিচারিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে আদালত তদন্তে সংগৃহীত বিভিন্ন তথ্য-প্রমাণও পর্যালোচনা করেন।
বাদীপক্ষের আইনজীবীর ভাষ্য অনুযায়ী, তদন্তে সংগ্রহ করা সিসিটিভি ফুটেজ, ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদন এবং আদালতে উপস্থাপিত ২৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যের ভিত্তিতে অভিযোগগুলো সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে ট্রাইব্যুনাল মনে করেন। এসব প্রমাণ বিবেচনায় নিয়েই আদালত মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করেছেন বলে তিনি জানান।
আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশুদের বিরুদ্ধে সংঘটিত গুরুতর অপরাধের বিচার দ্রুত ও কার্যকরভাবে সম্পন্ন হওয়া সমাজে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। একই সঙ্গে তারা অভিভাবকদের প্রতি শিশুদের নিরাপত্তার বিষয়ে আরও সচেতন থাকার আহ্বান জানান।
উল্লেখ্য, আদালতের ঘোষিত রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিলের সুযোগ আইন অনুযায়ী বিদ্যমান রয়েছে।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

শুক্র শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  

© ২০২৬ ক্রাইম এডিশন, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

Theme Customized By BreakingNews