বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৪৩ অপরাহ্ন

সাংবাদিকতা পেশায় স্বচ্ছতা নিশ্চিতের আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬

ক্রাইম এডিশন, ডেস্ক রিপোর্ট:

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, সাংবাদিকতা পেশায় কে প্রকৃত সাংবাদিক এবং কে নন, তা নির্ধারণের জন্য একটি যথাযথ ও গ্রহণযোগ্য কর্তৃপক্ষ থাকা প্রয়োজন। তার মতে, এ ধরনের ব্যবস্থা থাকলে সাংবাদিকতার পেশাগত মান, জবাবদিহি এবং স্বচ্ছতা আরও শক্তিশালী হবে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কমিটির ৩৪তম সভা এবং নবগঠিত কমিটির প্রথম বৈঠকে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সভায় তথ্যমন্ত্রী কমিটির সদস্যদের উদ্দেশ্যে বলেন, প্রতিটি সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে দেশের সংবিধান, প্রচলিত আইন এবং বিদ্যমান বিধি-বিধানের যথাযথ অনুসরণ নিশ্চিত করা উচিত। একই সঙ্গে সিদ্ধান্ত গ্রহণে দূরদর্শিতা, অভিজ্ঞতা ও প্রজ্ঞার পরিচয় দেওয়ার পাশাপাশি এমন মানসিকতা ধারণ করতে হবে, যাতে সর্বোচ্চ সংখ্যক মানুষের স্বার্থ বিবেচনায় আসে।
তিনি আরও বলেন, কোনো সিদ্ধান্ত যেন বিতর্কের পরিবর্তে সর্বজনগ্রাহ্য হয়, সে বিষয়েও সতর্ক থাকতে হবে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, একটি গণতান্ত্রিক পরিবেশে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে অন্তর্ভুক্তিমূলক দৃষ্টিভঙ্গি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
জহির উদ্দিন স্বপনের ভাষ্য অনুযায়ী, নির্বাচিত সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালনকারীদের রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরে গিয়ে দেশের সব নাগরিকের প্রতি সমান দায়বদ্ধতা নিয়ে কাজ করা উচিত। তিনি বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে নিরপেক্ষতা ও দায়িত্বশীলতা বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সভায় তিনি আরও উল্লেখ করেন, গণমাধ্যম এমন একটি ক্ষেত্র যেখানে ভিন্নমত, ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি ও নানা চিন্তার মানুষের সহাবস্থান রয়েছে। তাই সংকীর্ণ বা পক্ষপাতমূলক অবস্থান গ্রহণ না করে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত, যা অধিকাংশ মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়। তার মতে, রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রকৃত দক্ষতা কঠিন ও সংবেদনশীল পরিস্থিতিতেও ভারসাম্যপূর্ণ এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক সিদ্ধান্ত গ্রহণের মধ্যেই প্রকাশ পায়।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় রাষ্ট্রের অন্যতম সংবেদনশীল মন্ত্রণালয়। এ কারণে ছোট একটি সিদ্ধান্তও ভবিষ্যতে বড় রাজনৈতিক বা সামাজিক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই তাৎক্ষণিক পরিস্থিতির পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
জানা গেছে, সভায় প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদের সভাপতিত্বে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) মো. শাহ আলম, মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় সাংবাদিকতা, গণমাধ্যম এবং প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলেও জানা গেছে।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© ২০২৬ ক্রাইম এডিশন, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট