
নিজস্ব প্রতিবেদক:
দীর্ঘদিন বিদেশে চিকিৎসা নেওয়ার পর বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস আগামী ২ সেপ্টেম্বর দেশে ফিরছেন বলে জানা গেছে। তার দেশে ফেরার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মির্জা আব্বাসের একান্ত সচিব মিজানুর রহমান সোহেল।
রোববার (৩০ আগস্ট) তিনি জানান, বুধবার রাতে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে মির্জা আব্বাস ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে। ফ্লাইটটি রাত ৯টার দিকে ঢাকায় অবতরণ করতে পারে বলে জানানো হয়েছে।
একান্ত সচিবের ভাষ্য অনুযায়ী, দীর্ঘ সময় ধরে সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় চিকিৎসা নেওয়ার পর বর্তমানে মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। চিকিৎসকদের পরামর্শ এবং মেডিকেল বোর্ডের পর্যবেক্ষণের মধ্য দিয়ে তিনি সুস্থতার দিকে এগোচ্ছেন বলে জানানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ চিকিৎসা শেষে মির্জা আব্বাসের দেশে ফেরার খবরে তার পরিবার, শুভাকাঙ্ক্ষী এবং রাজনৈতিক সহকর্মীদের মধ্যে স্বস্তি ও আনন্দের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। দেশে ফেরার পর তার পরবর্তী চিকিৎসা ও বিশ্রামের বিষয়ে চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
মির্জা আব্বাসের শারীরিক সুস্থতার জন্য সবার কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে বলেও তার একান্ত সচিব জানিয়েছেন। তবে দেশে ফেরার পর তার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য জানানো হয়নি।
জানা গেছে, মির্জা আব্বাস বেশ কিছুদিন ধরে বিভিন্ন শারীরিক জটিলতার কারণে দেশের বাইরে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। চিকিৎসার প্রয়োজনে তিনি সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় অবস্থান করেন। দীর্ঘ চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণ শেষে এখন দেশে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি।
মির্জা আব্বাস বাংলাদেশের রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের পরিচিত একটি নাম। বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ এই নেতা দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। একই সঙ্গে তিনি প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হিসেবেও দায়িত্বে রয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
তার দেশে ফেরার খবরে রাজনৈতিক অঙ্গনেও আগ্রহ তৈরি হয়েছে। তবে দেশে ফেরার পর তিনি কবে থেকে নিয়মিত রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় হবেন, সে বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।
সংশ্লিষ্টদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাতে তার দেশে ফেরার কথা রয়েছে। তবে ভ্রমণসূচি বা ফ্লাইটসংক্রান্ত কোনো পরিবর্তন হলে সময়সূচিতে পরিবর্তন আসতে পারে।
দাবি বা চিকিৎসাসংক্রান্ত তথ্যগুলো মির্জা আব্বাসের একান্ত সচিবের বক্তব্যের ভিত্তিতে দেওয়া হয়েছে। এসব তথ্যের স্বতন্ত্র চিকিৎসাগত সত্যতা এই প্রতিবেদনে যাচাই করা হয়নি।