বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ঢাকা কলেজ উত্তপ্ত, ছাত্রদলের ভূমিকায় প্রশংসা নয়নের সারজিস আলমের মন্তব্যে ছাত্রদল নিয়ে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু এইচএসসির ব্যবহারিক পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষা বোর্ডের নতুন নির্দেশনা অভিজ্ঞতা ছাড়াই ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে আবেদন করার সুযোগ ৫ আগস্ট উপলক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জরুরি কর্মসূচি পালনের নির্দেশনা জারি সম্পত্তি দানেও আজীবন অধিকার রাখবেন বাবা-মা ভারত থেকে কাঁচা মরিচ আমদানি শুরু, বাজারদর কমার আশা গাজীপুর ভূমি অফিসে অনিয়ম অভিযোগে চার কর্মকর্তা সাময়িক বরখাস্ত ১৫ টাকার চালে ৫৫ লাখ পরিবার, ছয় মাস সুবিধা মিলবে মৃত শিক্ষকের বেতন ইস্যুতে বিস্ফোরক বক্তব্য অভিযুক্ত নেতার

সাইবার বুলিং ও আপত্তিকর কনটেন্ট নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মাহমুদা মিতু

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬

রাজনৈতিক অঙ্গনে অনলাইনে সাইবার বুলিং এবং নারীদের বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ কনটেন্ট ছড়ানোর অভিযোগ আবারও আলোচনায় এসেছে বলে জানা গেছে। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম মুখ্য সংগঠক মাহমুদা আলম মিতুর একটি ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে বিষয়টি নতুন করে সামনে এসেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

প্রকাশিত ওই পোস্টে তিনি বলেন, সমাজে যখন কোনো ধরনের নেতিবাচক ও ক্ষতিকর “ভাইরাস” ছড়িয়ে পড়ে, তখন তা ধীরে ধীরে সাধারণ মানুষের জীবন অতিক্রম করে প্রভাবশালী মহল পর্যন্ত পৌঁছে যায়। তার দাবি অনুযায়ী, রাজনৈতিক অঙ্গনে যুক্ত হওয়ার পর থেকেই তিনি বিভিন্ন সময় বুলিং, অপপ্রচার এবং অনলাইন হয়রানির শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন।

মাহমুদা মিতু আরও উল্লেখ করেন, তার নামে অসংখ্য আপত্তিকর ও নোংরা ছবি তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেছেন। তার মতে, এসব ঘটনা শুধু ব্যক্তিগত আঘাত নয়, বরং নারীদের জন্য মানসিকভাবে অত্যন্ত কষ্টদায়ক পরিস্থিতি তৈরি করে।

তিনি আরও দাবি করেন, একই ধরনের অনলাইন হয়রানির শিকার হচ্ছেন জাইমা। যদিও এ বিষয়ে স্বাধীনভাবে কোনো পক্ষ থেকে যাচাইযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, কিছু রাজনৈতিক পক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এসব কনটেন্ট ছড়িয়ে দিচ্ছে এবং হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের মাধ্যমে শেয়ার করছে বলে দাবি করা হয়।

পোস্টে আরও বলা হয়েছে, বিএনপির সাইবার ইউনিটের কিছু দায়িত্বশীল ব্যক্তি এসব কনটেন্ট একত্রে শেয়ার করছে বলে তিনি অভিযোগ করেছেন। তবে এই অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দল বা পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া এখনো পাওয়া যায়নি।

মাহমুদা মিতু প্রশ্ন তুলেছেন, রাজনৈতিক নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকে সাইবার বুলিংয়ের বিরুদ্ধে কেন আরও কঠোর ও স্পষ্ট অবস্থান দেখা যাচ্ছে না। তার মতে, এ ধরনের নীরবতা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে এবং সমাজে অনলাইন হয়রানি স্বাভাবিক হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি করে।

তিনি সাধারণ জনগণের উদ্দেশে আহ্বান জানিয়ে বলেন, সাইবার বুলিংয়ের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা জরুরি। তার মতে, আজ যদি এ বিষয়ে সচেতনতা তৈরি না হয়, তাহলে ভবিষ্যতে ঘরের নারী ও শিশুদেরও একই ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হতে পারে।

এছাড়া তিনি একটি অরাজনৈতিক উদ্যোগের কথা উল্লেখ করেন, যেখানে দেশের প্রতিটি উপজেলা থেকে প্রতিনিধি নিয়ে একটি টিম গঠনের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গেছে। এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য হিসেবে সাইবার বুলিং প্রতিরোধ, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ভুক্তভোগীদের পাশে দাঁড়ানোর কথা বলা হয়েছে।

তবে এসব বক্তব্য ও অভিযোগ এখন পর্যন্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক দাবির ওপর নির্ভরশীল বলে জানা গেছে, এবং স্বাধীনভাবে কোনো নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে তা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কঠোর আইন প্রয়োগ, প্রযুক্তিগত নজরদারি এবং সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি করা অত্যন্ত জরুরি।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© ২০২৬ ক্রাইম এডিশন, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

Theme Customized By BreakingNews