মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ঢাকা কলেজ উত্তপ্ত, ছাত্রদলের ভূমিকায় প্রশংসা নয়নের সারজিস আলমের মন্তব্যে ছাত্রদল নিয়ে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু এইচএসসির ব্যবহারিক পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষা বোর্ডের নতুন নির্দেশনা অভিজ্ঞতা ছাড়াই ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে আবেদন করার সুযোগ ৫ আগস্ট উপলক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জরুরি কর্মসূচি পালনের নির্দেশনা জারি সম্পত্তি দানেও আজীবন অধিকার রাখবেন বাবা-মা ভারত থেকে কাঁচা মরিচ আমদানি শুরু, বাজারদর কমার আশা গাজীপুর ভূমি অফিসে অনিয়ম অভিযোগে চার কর্মকর্তা সাময়িক বরখাস্ত ১৫ টাকার চালে ৫৫ লাখ পরিবার, ছয় মাস সুবিধা মিলবে মৃত শিক্ষকের বেতন ইস্যুতে বিস্ফোরক বক্তব্য অভিযুক্ত নেতার

সংরক্ষিত নারী আসনে এনসিপি থেকে এমপি হচ্ছেন নুসরাত তাবাসসুম

  • প্রকাশিত: সোমবার, ৪ মে, ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনকে কেন্দ্র করে নুসরাত তাবাসসুমের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা ও বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।

প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, নির্বাচন কমিশনের রিটার্নিং কর্মকর্তা তাকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করেছেন বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রার্থিতার প্রক্রিয়ায় নানা আইনি জটিলতা ও সময়সূচি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে একাধিক পক্ষের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দেয়।

অভিযোগ উঠেছে, মনোনয়নপত্র দাখিলের সময়সীমা, গ্রহণযোগ্যতা এবং পরবর্তী যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ায় কিছু জটিলতা তৈরি হয়। প্রথম পর্যায়ে তার মনোনয়নপত্র গ্রহণ না করা হলেও পরবর্তীতে আদালতের হস্তক্ষেপে বিষয়টি নতুনভাবে বিবেচনায় নেওয়া হয়। হাইকোর্টে দায়ের করা একটি রিটের শুনানির পর আদালত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা প্রদান করে বলে জানা গেছে।

এরপর নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে পুনরায় যাচাই-বাছাই শেষে তার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। রিটার্নিং কর্মকর্তার প্রকাশিত তালিকায় তাকে বৈধ প্রার্থী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার পর শেষ পর্যন্ত তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন বলে জানানো হয়।

অন্যদিকে একই আসনের আরেক প্রার্থীর মনোনয়ন নিয়েও জটিলতা তৈরি হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। কিছু মহল থেকে দাবি করা হয়েছে, সরকারি চাকরি থেকে অবসরের পর নির্ধারিত সময় পূর্ণ না হওয়ায় তার মনোনয়নপত্র নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল, যা পরবর্তীতে বাতিলের সিদ্ধান্তে গড়ায়। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে আইনি লড়াই চলমান রয়েছে বলেও জানা গেছে।

এদিকে নির্বাচন কমিশন সংসদীয় আসন বণ্টন অনুযায়ী বিভিন্ন রাজনৈতিক জোটের মধ্যে আসন বরাদ্দ করেছিল। অভিযোগ অনুযায়ী, বেশিরভাগ আসন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পূরণ হয়ে যায় এবং খুব অল্প কিছু আসন নিয়েই মূল আইনি ও রাজনৈতিক আলোচনা তৈরি হয়।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও সময় ব্যবস্থাপনা নিয়ে আরও পরিষ্কার নীতিমালা প্রয়োজন। তারা মনে করছেন, আইনি জটিলতা এবং প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের কারণে এ ধরনের পরিস্থিতি ভবিষ্যতেও তৈরি হতে পারে।

অন্যদিকে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, বিষয়টি এখন নির্বাচন কমিশনের গেজেট প্রকাশের অপেক্ষায় রয়েছে। গেজেট প্রকাশের পরই চূড়ান্তভাবে সংসদ সদস্য হিসেবে তার নাম অন্তর্ভুক্ত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© ২০২৬ ক্রাইম এডিশন, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

Theme Customized By BreakingNews