সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ০২:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রাশেদ খাঁন পেলেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারীর নতুন দায়িত্ব মেসিকে ঘিরে বিশ্বকাপ ফাইনালে আবেগের জোয়ার বিশ্বজুড়ে নতুন ই-পাসপোর্টে যুক্ত হচ্ছে জুলাই আন্দোলনের স্মৃতি চিত্র গণভোটের রায় বাস্তবায়নে ছাড় নয় বললেন শফিকুর সংস্কার ছাড়া চাঁদাবাজি বন্ধ হবে না দাবি নাসিরুদ্দীন পাটওয়ারীর গণভোট নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জুলাই সনদ বাস্তবায়নে বিতর্ক শেষের আহ্বান জানালেন মির্জা ফখরুল মাদকাসক্তির অ/ভিযো/গে মা/কে মা/রধর, যুবকের ছয় মাস কা/রাদণ্ড শি/শুকে নি/র্যাত/নের ভিডিও পোস্ট, শিক্ষকের বি/রুদ্ধে উঠল গুরুতর অ/ভি/যোগ ভৈরব নদে নি/খোঁজ গৃহবধূর ম/রদে/হ মিলল ত্রিশ ঘণ্টা পরে

শি/শুকে নি/র্যাত/নের ভিডিও পোস্ট, শিক্ষকের বি/রুদ্ধে উঠল গুরুতর অ/ভি/যোগ

  • প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক:

লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার একটি মাদরাসার সাবেক এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে এক শিশুশিক্ষার্থীকে নির্যাতনের অভিযোগ তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, ওই শিক্ষক নিজেই শিশুর সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার একটি ভিডিও ধারণ করে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্টে প্রকাশ করেন। ভিডিওটির সঙ্গে দেওয়া একটি মন্তব্যও সামাজিক মাধ্যমে সমালোচনার জন্ম দেয়।
জানা গেছে, ঘটনাটি উত্তর চর আবাবিল ইউনিয়নের একটি মাদরাসাকে কেন্দ্র করে। অভিযুক্ত ব্যক্তি ইমরান হোসেন নামে পরিচিত এবং তিনি ওই প্রতিষ্ঠানের সাবেক সহকারী শিক্ষক ছিলেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে বলে দাবি করা হচ্ছে, এক শিশুশিক্ষার্থী কান্নারত অবস্থায় রয়েছে এবং তার মুখে বারবার একটি বেত ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে। অভিযোগ অনুযায়ী, শিশুটি ভীত হয়ে বেত সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলেও ঘটনাটি চলতে থাকে। ভিডিওটি প্রকাশের পর বিভিন্ন মহলে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়। পরে ভিডিওটি এবং সংশ্লিষ্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্ট সরিয়ে ফেলা হয়েছে বলেও জানা গেছে।
সমালোচনার মুখে অভিযুক্ত শিক্ষক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করে ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন বলে জানা গেছে। সেখানে তিনি বলেন, ভিডিওটি তিনিই ধারণ ও প্রকাশ করেছিলেন। তার দাবি, শিশুটি পরীক্ষার সময় প্রশ্নের উত্তর দিতে না পেরে কান্না শুরু করলে তিনি দুষ্টামির ছলে এমনটি করেছিলেন। তিনি আরও বলেন, শিশুটিকে মারধর বা বেত্রাঘাত করা হয়নি এবং বিষয়টি এত বড় বিতর্কের সৃষ্টি করবে বলে তিনি ভাবেননি। এ ঘটনার জন্য তিনি সবার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন।
মাদরাসাটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মো. মঞ্জুর আহমেদ বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষককে প্রায় দুই মাস আগে প্রতিষ্ঠান থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, চাকরিচ্যুত হওয়ার পর তিনি পূর্বে ধারণ করা বিভিন্ন ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করছেন। তিনি আরও বলেন, শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অশোভন আচরণ, অকারণে শাস্তি প্রদান এবং কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া শিক্ষার্থীদের ছবি ও ভিডিও প্রকাশের অভিযোগে তাকে একাধিকবার সতর্ক করা হয়েছিল।
এদিকে রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, বিষয়টি পুলিশের নজরে এসেছে এবং ঘটনার বিষয়ে প্রাথমিক অনুসন্ধান চালানো হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, অভিযুক্ত শিক্ষক বর্তমানে ওই এলাকায় অবস্থান করছেন না এবং সংশ্লিষ্ট মাদরাসাটিও বন্ধ রয়েছে। তিনি জানান, ভুক্তভোগী বা তার পরিবারের পক্ষ থেকে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর শিশুদের নিরাপত্তা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আচরণবিধি এবং শিক্ষকদের দায়িত্ব নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে অভিযোগের বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের ফলাফলের অপেক্ষায় রয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

শুক্র শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  

© ২০২৬ ক্রাইম এডিশন, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

Theme Customized By BreakingNews