
নিজস্ব প্রতিবেদক:
বিএনপি নেতা এবং গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী হিসেবে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। সংশ্লিষ্ট প্রজ্ঞাপনের তথ্যের বরাত দিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, তিনি সচিব পদমর্যাদায় দায়িত্ব পালন করবেন।
জানা গেছে, গত ১৯ জুলাই এ-সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. গোলাম রব্বানী রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে ওই প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, রাশেদ খাঁনকে অন্য যেকোনো পেশা, ব্যবসা বা সরকারি, আধা-সরকারি এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠান কিংবা সংগঠনের সঙ্গে বিদ্যমান কর্মসম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ রয়েছে। যোগদানের তারিখ থেকে প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদকাল অথবা প্রধানমন্ত্রীর সন্তুষ্টি সাপেক্ষে—যেটি আগে ঘটবে—সেই সময় পর্যন্ত তিনি প্রধানমন্ত্রীর সহকারী (রাজনৈতিক) হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বলে জানা গেছে।
এছাড়া প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, নিয়োগের অন্যান্য শর্ত সংশ্লিষ্ট চুক্তিপত্রের মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে। একই সঙ্গে জনস্বার্থে এ আদেশ জারি করা হয়েছে বলেও উল্লেখ রয়েছে।
রাজনৈতিক অঙ্গনে রাশেদ খাঁনের এই নতুন দায়িত্ব নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। তিনি আগে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং এর আগে গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করেছেন। ফলে তাঁর এই নিয়োগকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন মহলে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে বলেও গণমাধ্যমের খবরে উঠে এসেছে।
তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখিত তথ্যের বাইরে অতিরিক্ত কোনো ব্যাখ্যা প্রকাশ করা হয়নি বলে জানা গেছে। নিয়োগসংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম এবং দায়িত্ব গ্রহণের পরবর্তী প্রক্রিয়া চুক্তির শর্ত অনুযায়ী সম্পন্ন হবে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে।
এদিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের মতে, এ ধরনের নিয়োগ প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক উভয় ক্ষেত্রেই গুরুত্ব বহন করে। তবে নিয়োগের প্রভাব বা ভবিষ্যৎ ভূমিকা সম্পর্কে এখনই চূড়ান্ত কোনো মন্তব্য করার সুযোগ নেই বলে তারা মনে করছেন। এ বিষয়ে পরবর্তী সরকারি সিদ্ধান্ত ও আনুষ্ঠানিক কার্যক্রমের ওপরই পরবর্তী পরিস্থিতি নির্ভর করবে বলে সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা চলছে।