মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ০৬:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ভেনেজুয়েলার ভূমিকম্পে মৃ/তের সংখ্যা ছাড়াল পাঁচ হাজার বিচারাধীন মামলা কমানোর নতুন পরিকল্পনা জানাল আইন মন্ত্রণালয় সরকারি হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র সচিব সিয়ামের দিল্লি হাইকমিশনার নিয়োগে জোর আলোচনা চলছে উন্নয়ন অধিকার নাকি দয়া, প্রশ্ন তুললেন ডা. মাহমুদা মিতু মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের স্বীকৃতি দাবিতে নতুন বক্তব্য দিলেন নাহিদ ইসলাম সংবিধান ও গণভোট প্রসঙ্গে বক্তব্য দিলেন সারজিস আলম অটোপাস নয়, শিক্ষার্থীদের দাবি নিয়ে যা বললেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্কতায় বিজিবি, দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নতুন নির্দেশ আগামী ৪৮ ঘণ্টায় উত্তরাঞ্চলের পাঁচ জেলায় বন্যার শঙ্কা

উন্নয়ন অধিকার নাকি দয়া, প্রশ্ন তুললেন ডা. মাহমুদা মিতু

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক:

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে জনপ্রতিনিধিদের উন্নয়ন কার্যক্রম, নির্বাচনী ব্যয় এবং নাগরিক অধিকার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ডা. মাহমুদা মিতু। তার পোস্টে অভিযোগ করা হয়েছে, উন্নয়ন প্রকল্পকে অনেক সময় জনগণের অধিকার হিসেবে নয়, বরং ব্যক্তিগত অনুগ্রহ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। একই সঙ্গে তিনি নাগরিকদের নিজেদের সাংবিধানিক অধিকার সম্পর্কে আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।
জানা গেছে, পোস্টে একটি কাল্পনিক উদাহরণের মাধ্যমে বিষয়টি ব্যাখ্যা করা হয়। সেখানে বলা হয়, একজন ব্যক্তি নির্বাচনে বিপুল অর্থ ব্যয় করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর বড় অঙ্কের একটি উন্নয়ন প্রকল্প আনেন। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রকল্পের একটি অংশ বাস্তবায়ন করা হলেও বাকি অর্থ আত্মসাৎ করা হয়। এরপর দৃশ্যমান কিছু উন্নয়ন দেখে সাধারণ মানুষ সন্তুষ্ট হন এবং প্রকল্পের আর্থিক স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন না। এমনকি অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, আত্মসাৎ করা অর্থ দিয়ে বিদেশে সম্পদ গড়ার ঘটনাও আলোচনায় আসে।
ডা. মাহমুদা মিতুর দাবি, নাগরিকদের একটি বড় অংশ এখনও রাষ্ট্রের কাছ থেকে কী কী পাওয়ার অধিকার রয়েছে, সে বিষয়ে পর্যাপ্ত ধারণা রাখেন না। ফলে কোনো এলাকায় নতুন রাস্তা নির্মাণ, কিছু সামাজিক সহায়তা কিংবা সীমিত সরকারি সুবিধা পেলেই অনেকেই সেটিকে জনপ্রতিনিধির ব্যক্তিগত অবদান হিসেবে বিবেচনা করেন।
তিনি বলেন, এসব উন্নয়ন বা সরকারি সুবিধা কোনো জনপ্রতিনিধির ব্যক্তিগত অর্থে দেওয়া হয় না। বরং এগুলো জনগণের করের অর্থে পরিচালিত রাষ্ট্রীয় কার্যক্রমের অংশ। তাই উন্নয়নকে দয়া বা অনুগ্রহ হিসেবে নয়, বরং নাগরিকের ন্যায্য অধিকার হিসেবে দেখার প্রয়োজন রয়েছে।
পোস্টে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, কিছু ক্ষেত্রে উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণের পেছনে নির্বাচনী ব্যয় পুনরুদ্ধার, প্রভাবশালী আত্মীয়স্বজনকে টেন্ডার পাইয়ে দেওয়া কিংবা ব্যক্তিগত আর্থিক লাভের উদ্দেশ্য কাজ করতে পারে। যদিও এসব অভিযোগের পক্ষে নির্দিষ্ট কোনো প্রমাণ পোস্টে উপস্থাপন করা হয়নি।
সবশেষে নাগরিকদের উদ্দেশে তিনি তোষামোদ না করে নিজের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান। তার ভাষ্য অনুযায়ী, একটি জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলতে হলে উন্নয়ন প্রকল্পের স্বচ্ছতা, সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার এবং জনগণের অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
উল্লেখ্য, এসব বক্তব্য ডা. মাহমুদা মিতুর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত মতামতের ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট অভিযোগগুলোর বিষয়ে স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

শুক্র শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  

© ২০২৬ ক্রাইম এডিশন, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

Theme Customized By BreakingNews