রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ০২:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
টানা বৃষ্টিতে কাঁচামরিচের দাম ৩০০ টাকা ছাড়িয়ে চাপে ক্রেতারা এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য পুনঃপরীক্ষা নিয়ে নতুন তথ্য প্রকাশ পানিতে পড়া মেয়েকে বাঁচিয়ে স্রোতে হা/রিয়ে গেলেন বা/বা বরিশালে মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রীর রহস্যজনক মৃ/ত্যু নিয়ে তদন্ত শেখ হাসিনার যোগাযোগ অভিযোগে বাড়ল সাহাবুদ্দিনকে ঘিরে বিতর্ক পারস্পরিক শ্রদ্ধা মানবপ্রেমেই প্রকৃত ধর্মচর্চার শিক্ষা বললেন তথ্যমন্ত্রী স্বপন পরীক্ষা মিস করা শিক্ষার্থীরা পাবেন পুনঃপরীক্ষার সুযোগ পদত্যাগের পরও যেসব রাষ্ট্রীয় সুবিধা পেতে পারেন সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন রাষ্ট্রপতি অপসারণ ইস্যুতে ডাঃ মাহমুদা মিতুর ফেসবুক পোস্ট ঘিরে বিতর্ক অবশেষে রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলেন, শুরু নতুন সাংবিধানিক অধ্যায়

শেখ হাসিনার যোগাযোগ অভিযোগে বাড়ল সাহাবুদ্দিনকে ঘিরে বিতর্ক

  • প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬

ক্রাইম এডিশন, ডেস্ক রিপোর্ট:

সম্প্রতি সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে। বিভিন্ন সূত্রের বরাতে অভিযোগ উঠেছে, তিনি ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছিলেন। যদিও এ অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন এবং তিনি বলেছেন, এ ধরনের দাবির পক্ষে কেউ প্রমাণ দেখাতে পারলে জনগণের যে কোনো রায় মেনে নেবেন।
জানা গেছে, গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর কাছে কিছু তথ্য পৌঁছানোর পর বিষয়টি সরকারের উচ্চপর্যায়ে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচিত হয়। অভিযোগ রয়েছে, বিদেশে চিকিৎসার জন্য অবস্থানকালে এবং দেশে ফেরার পরও শেখ হাসিনার সঙ্গে যোগাযোগের তথ্য বিভিন্ন মাধ্যমে সামনে আসে। তবে এসব তথ্যের সত্যতা সম্পর্কে সরকারিভাবে কোনো বিস্তারিত ব্যাখ্যা প্রকাশ করা হয়নি।
এদিকে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা রয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা, সরকারবিরোধী তৎপরতা এবং রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম নিয়ে সরকারের উদ্বেগ বৃদ্ধি পেয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, এসব বিষয় পর্যালোচনার অংশ হিসেবেই রাষ্ট্রপতির পদ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্দিষ্ট কোনো বক্তব্য দেওয়া হয়নি।
অন্যদিকে মো. সাহাবুদ্দিন একাধিক গণমাধ্যমকে বলেন, শেখ হাসিনার সঙ্গে তার কথোপকথনের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তাকে রাজনৈতিকভাবে হেয় করার উদ্দেশ্যেই এমন প্রচারণা চালানো হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন। একই সঙ্গে তিনি বলেন, অভিযোগকারীরা যদি নির্ভরযোগ্য প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেন, তাহলে তিনি জনগণের রায় মেনে নিতে প্রস্তুত।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর থেকেই রাষ্ট্রপতির পদ নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মধ্যে মতপার্থক্য ছিল। বিভিন্ন সময়ে কয়েকটি দল রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের দাবি জানালেও সে সময় তা বাস্তবায়ন হয়নি। পরবর্তীতে পরিস্থিতির পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে।
জানা গেছে, বিদেশ সফরে থাকা স্পিকারকে দেশে ফিরে আসার নির্দেশ দেওয়ার পর সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণ করা হয়। এরপর দায়িত্ব পালনের বিষয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলেও বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়। তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে অভিযোগগুলোর বিস্তারিত ব্যাখ্যা এখনো প্রকাশ করা হয়নি।
সামগ্রিক ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। তবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে আনুষ্ঠানিক তদন্ত বা বিচারিক প্রক্রিয়ার ফলাফল প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত এগুলোকে অভিযোগ হিসেবেই বিবেচনা করার আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট পর্যবেক্ষকরা।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

শুক্র শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  

© ২০২৬ ক্রাইম এডিশন, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

Theme Customized By BreakingNews