
ক্রাইম এডিশন অনলাইন:
বাংলাদেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে যুক্ত হচ্ছে নতুন একটি সমন্বিত টুর্নামেন্ট। প্রস্তাবিত কাঠামো অনুযায়ী প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট, ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি—তিন সংস্করণের প্রতিযোগিতাকে একটি ব্যবস্থার আওতায় আনার পরিকল্পনা করা হয়েছে। নতুন এই আয়োজন শুরু হবে টি-টোয়েন্টি দিয়ে। আগামী ১২ ডিসেম্বর বরিশালের ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথম ম্যাচ হওয়ার কথা রয়েছে। একই মাঠে ৩০ ডিসেম্বর টুর্নামেন্টের ফাইনাল আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।
এর আগে আগামী ৩ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়ার কথা লাল বলের ন্যাশনাল ক্রিকেট লিগ (এনসিএল)। চার দিনের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটের পর ওয়ানডে এবং সবশেষ টি-টোয়েন্টি সংস্করণের প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হবে। অর্থাৎ ঘরোয়া ক্রিকেটের তিনটি ফরম্যাটকে আলাদা আলাদা প্রতিযোগিতার পরিবর্তে একটি সমন্বিত কাঠামোর মধ্যে পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
নতুন এই কাঠামোতে বিসিবির সরাসরি ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি করপোরেট ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর অংশগ্রহণ রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি লিগে ছয়টি দলের মালিকানা স্বত্ব করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, দলগুলোর মালিকানা তিন বছরের জন্য দেওয়ার কথা রয়েছে।
এ আয়োজনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ২৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে হওয়ার কথা রয়েছে। শুরুতে টুর্নামেন্টটির নাম ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ রাখার পরিকল্পনা থাকলেও শেষ পর্যন্ত নাম পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন নাম হিসেবে ‘ডি থ্রি ট্রফি’ বিবেচনা করা হচ্ছে। এখানে ‘ডি থ্রি’ বলতে ডমেস্টিক থ্রি বা ঘরোয়া ক্রিকেটের তিন সংস্করণের সমন্বিত আয়োজনকে বোঝানো হচ্ছে।
টি-টোয়েন্টি পর্ব দিয়েই এই ট্রফির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হওয়ার কথা। ১২ ডিসেম্বর বরিশালে শুরু হয়ে ৩০ ডিসেম্বর একই ভেন্যুতে ফাইনালের মধ্য দিয়ে এই পর্ব শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে দলগুলোর অংশগ্রহণ ও কাঠামোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার ওপর নির্ভর করবে।
প্রস্তাবিত ছয়টি দলের সঙ্গে বিভিন্ন করপোরেট ও ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের নাম যুক্ত হয়েছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে ফরচুন গ্রুপ, ব্লু স্টার লিমিটেড, সিটিজেন ব্যাংক, ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ, একমি ল্যাবরেটরিজ ও নাবিল গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ। তবে এসব প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণের বিষয়টি চূড়ান্ত হিসেবে বিবেচনা করার আগে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা প্রয়োজন।
নতুন কাঠামো বাস্তবায়িত হলে দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে প্রথম শ্রেণি, ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি—তিন সংস্করণের প্রতিযোগিতাকে একই পরিকল্পনার আওতায় পরিচালনার সুযোগ তৈরি হবে। পাশাপাশি দল পরিচালনায় বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সম্পৃক্ততা বাড়ানোর মাধ্যমে ঘরোয়া ক্রিকেটের আয়োজনকে আরও সংগঠিত করার লক্ষ্য রয়েছে।




