
ক্রাইম এডিশন অনলাইন:
এদিকে কনের বাবা জানিয়েছেন, তাঁর মেয়ের বয়স বিয়ের উপযুক্ত হলেও বরের বয়স কম ছিল। এ কারণে প্রশাসন বিয়ে বন্ধ করে দেয়। অনুষ্ঠানের জন্য খাবার প্রস্তুত করা হয়েছিল উল্লেখ করে তিনি আর্থিক ক্ষতির কথাও জানিয়েছেন।
বরের চাচা মজিদ রহমানের ভাষ্য, বরযাত্রী নিয়ে কনের বাড়িতে পৌঁছানোর কিছুক্ষণ পরই প্রশাসনের কর্মকর্তারা সেখানে উপস্থিত হন। পরে বরের পরিচয়পত্র যাচাই করে বয়স কম পাওয়ায় তাঁকে জরিমানা করা হয়। এরপর বরযাত্রীদের নিয়ে খাবার না খেয়েই ফিরে আসেন তাঁরা।
এ বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মৈত্রী রায় জানান, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে উপজেলা প্রশাসন সতর্ক রয়েছে। সমাজ থেকে এ ধরনের বিয়ে বন্ধ করতে ভবিষ্যতেও অভিযান অব্যাহত রাখা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে বিয়ের আগে বর-কনের বয়স যাচাই করা গুরুত্বপূর্ণ। আইন অনুযায়ী নির্ধারিত বয়স পূর্ণ না হলে বিয়ের আয়োজন থেকে বিরত থাকা প্রয়োজন। মাধবপুরের এ ঘটনায় বিয়ের শেষ মুহূর্তে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে অনুষ্ঠান বন্ধ হওয়ায় বিষয়টি স্থানীয়ভাবে আলোচনায় এসেছে।




