
সিলেট টেস্টের দ্বিতীয় দিনে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৩৫৬ রানে গুটিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছে বাংলাদেশ। বল হাতে দুর্দান্ত নৈপুণ্য প্রদর্শন করে ৯০ রান খরচায় ৬ উইকেট তুলে নিয়েছেন হাসান মাহমুদ। টেস্ট ক্যারিয়ারে এটি তার দ্বিতীয়বারের মতো ইনিংসে ছয় উইকেট নেওয়ার কৃতিত্ব। এছাড়া বাংলাদেশের প্রথম পেসার হিসেবে তিনি টেস্টে স্টাম্পিংয়ের মাধ্যমে উইকেট শিকারের নজির গড়েছেন। বাংলাদেশের পক্ষে তাসকিন আহমেদ ও মেহেদী হাসান মিরাজ দুটি করে উইকেট পেয়েছেন।
এর আগে দিনের শুরুতে ৪ উইকেটে ২৩৫ রান নিয়ে খেলা শুরু করে সফরকারীরা। আগের দিনের সেঞ্চুরিয়ান আমির জাঙ্গু ইনিংস টেনে নিয়ে ১৩৩ রান করেন। এছাড়া জাস্টিন গ্রিভস ৫১ এবং কেভিন উইকহ্যাম ৬১ রান করে দলের সংগ্রহ বড় করতে ভূমিকা রাখেন। ইনিংসের শেষ দিকে জোমেল ওয়ারিক্যান ও জেইডেন সিলসের জুটিও স্বাগতিকদের বেশ ভুগিয়েছে। শেষ উইকেটে তাদের ৩৩ রানের জুটির পর ১০৬.৪ ওভারে ৩৫৬ রানে থামে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংস।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ের মুখে পড়ে বাংলাদেশ। চোট পাওয়া সাদমান ইসলামের পরিবর্তে ওপেনিংয়ে নামা নাঈম হাসান মাত্র ৫ রান করে জেইডেন সিলসের বলে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন। এরপর তানজিদ হাসান ১৬ রান করে জাস্টিন গ্রিভসের দুর্দান্ত এক ক্যাচের শিকার হন। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তও দীর্ঘক্ষণ টিকতে পারেননি; শামার জোসেফের বলে বোল্ড হওয়ার আগে তার সংগ্রহ ছিল ১৮ রান। চোটের কারণে সাদমান ইসলাম খেলতে না পারায় ওপেনিংয়ে নামেন নাঈম হাসান।
মাত্র ৫১ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ যখন চরম চাপে, তখন হাল ধরেন তাওহিদ হৃদয় ও অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম। তাদের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে দিন শেষে ৩৭ রান যোগ হয়েছে। দিন শেষে ৪০ ওভার খেলে ৩ উইকেটে ৮৮ রান তুলেছে বাংলাদেশ। এখনও তারা ওয়েস্ট ইন্ডিজের চেয়ে ২৬৮ রানে পিছিয়ে আছে। আগামীকাল তৃতীয় দিনে এই দুই ব্যাটারের ওপর ভর করেই ঘুরে দাঁড়ানোর আশা দেখছে স্বাগতিক শিবির। ৫১ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর দলকে সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন তাওহিদ হৃদয় ও মুশফিকুর রহিম। হৃদয় ২৯ ও মুশফিক ১৯ রানে অপরাজিত আছেন।




