
ক্রাইম এডিশন অনলাইন:
ভবনটিতে বিদ্যুতের সংযোগ থাকায় বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুন লাগার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তবে এখন পর্যন্ত কথা বলা ব্যক্তিদের কেউই আগুনের কারণ নিশ্চিত করতে পারেননি বলে জানান তিনি। তাই তদন্তের আগে কোনো একটি কারণকে দায়ী করা যাচ্ছে না।
মনসুর খান প্লাজার সঙ্গে আশপাশের আরও কয়েকটি মার্কেট যুক্ত থাকায় আগুন ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুন যাতে পাশের ভবন ও দোকানগুলোতে ছড়িয়ে না পড়ে, সে জন্য চেষ্টা চালান। কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, এতে আশপাশের মার্কেটগুলো বড় ধরনের ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে।
ভবিষ্যতে এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলায় চকবাজারের সড়ক প্রশস্ত করা এবং পানির হাইড্র্যান্ট ব্যবস্থা চালুর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন কাজী নজমুজ্জামান। নির্দিষ্ট স্থানে পানির সংযোগের ব্যবস্থা থাকলে ফায়ার সার্ভিস দ্রুত পানি সংগ্রহ করে অগ্নিনির্বাপণ কার্যক্রম চালাতে পারবে বলে তিনি মনে করেন।
ঘটনাস্থলে এখনো আগুন পুরোপুরি নির্বাপণের কাজ চলছে। ক্ষতিগ্রস্ত গুদামের মালামাল সরানো, বিভিন্ন অংশ পরীক্ষা করা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী পানি দেওয়ার কার্যক্রম শেষ হওয়ার পরই পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক হওয়ার বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে।




