Eng
চাঁপাইনবাবগঞ্জ, জাতীয়, রাজনীতি, রাজশাহী, লিড নিউজ

সোনামসজিদ সীমান্তে ভারতে যাওয়ার পথে যুবলীগ নেত্রী আটক

প্রকাশিত: , ২২ অক্টোবর ২০২৬ | ৯:৪৯ অপরাহ্ণ




ক্রাইম এডিশন, ডেস্ক রিপোর্ট:

চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে ভারতে প্রবেশের চেষ্টার সময় সুলতানা বেগম (৩৫) নামে এক যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বুধবার (২১ অক্টোবর) বিকেলে সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। পরে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে শিবগঞ্জ থানা-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
আটক সুলতানা বেগম চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা যুব মহিলা লীগের কোষাধ্যক্ষ বলে জানা গেছে। তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার সেহলা কলোনি গ্রামের জুলমত আলীর মেয়ে।
বিজিবির তথ্য অনুযায়ী, বুধবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে সোনামসজিদ সীমান্তের ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট এলাকায় তাকে আটক করা হয়। এ সময় তিনি ভারতে যাওয়ার জন্য ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করছিলেন। পরে ভারতে প্রবেশের আগমুহূর্তে বিজিবি সদস্যরা তাকে হেফাজতে নেন।
সীমান্তে দায়িত্ব পালনকারী মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি) এ অভিযান পরিচালনা করে। ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের কমান্ডারের দায়িত্বে থাকা বিজিবির নায়েব সুবেদার মো. আখতারুজ্জামানের নেতৃত্বে সদস্যরা তাকে আটক করেন বলে জানানো হয়েছে।

বিজিবির দাবি, সুলতানা বেগম চিকিৎসার কথা বলে ভারতে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন। তবে তার ভারতে যাওয়ার উদ্দেশ্য ও এ-সংক্রান্ত বিস্তারিত বিষয়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়ার মতো তথ্য পাওয়া যায়নি।
মহানন্দা ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আল-আমিন অপু আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, সুলতানা বেগমের বিরুদ্ধে নাশকতাসহ একাধিক মামলা রয়েছে। সীমান্ত দিয়ে ভারতে যাওয়ার চেষ্টাকালে তাকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
পুলিশ ও বিজিবির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সুলতানা বেগমের বিরুদ্ধে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানায় একটি নাশকতার মামলা রয়েছে। ২০২৪ সালের ২২ সেপ্টেম্বর মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল বলে জানা গেছে। তবে মামলার অভিযোগের বিস্তারিত, বর্তমান তদন্তের অবস্থা কিংবা এ বিষয়ে আদালতের কোনো সিদ্ধান্তের তথ্য উল্লেখ করা হয়নি।

আটকের পর বুধবার রাত ৮টার দিকে সুলতানা বেগমকে শিবগঞ্জ থানা-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মতিউর রহমান বিজিবির মাধ্যমে তাকে থানায় হস্তান্তরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এ ঘটনায় পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ কী নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। তার বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলোর অভিযোগ এবং আইনগত অবস্থান সংশ্লিষ্ট নথি ও আদালতের কার্যক্রমের মাধ্যমে আরও স্পষ্ট হতে পারে।